Record Rain in 130 Years: ১৩০ বছরে হয়নি এমন বিধ্বংসী বৃষ্টি; রেকর্ড রেইনফলে স্থলই সমুদ্র, ১৬ জেলায় জারি সতর্কতা

Written BySoumitra SenUpdated bySoumitra Sen
Published: Apr 04, 2026, 01:53 PM IST|Updated: Apr 04, 2026, 01:53 PM IST
Record Rain in 130 Years in Pune: একটি পশ্চিমি নিম্নচাপ (powerful Western Disturbance) এবং একটি বিচ্ছিন্ন রেখা (Line of Discontinuity)-র প্রভাবে মহারাষ্ট্রের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন। ১৮৯৬ সালের পর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে পুনেতে। এলাকাবিশেষে হলুদ সতর্কতা জারি।
1/7

গত ৩-৪ দিন ধরে মহারাষ্ট্রের বহু অংশে একটানা অসময়ের বৃষ্টি ব্যাহত করেছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বিদর্ভ ও মারাঠওয়াড়ায় ভারী বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি অব্যাহত। অন্য দিকে পুনের বৃষ্টি গত ১৩০ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিল! 

2/7

আইএমডি-র বয়ান অনুসারে, একটি 'পাওয়ারফুল ওয়েস্টার্ন ডিসটারবেন্স' বা শক্তিশালী পশ্চিমি লঘুচাপ এবং একটি 'লাইন অফ ডিসকন্টিনিউইটি' বা 'বিচ্ছিন্নতা-রেখা'সক্রিয় হওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

3/7

পুনেতে ঐতিহাসিক বৃষ্টিপাত হল। ১৮৯৬ সালের রেকর্ড ভাঙল এই রেকর্ড বৃষ্টিপাতে। পুনের শিবাজিনগর এলাকায় একদিনে ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা ১৮৯৬ সালের ৪ এপ্রিলের ৫১.১ মিমি-র পূর্ববর্তী রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। 

4/7

শহরের কিছু অংশে পরিস্থিতি ছিল মেঘভাঙা বৃষ্টির মতো; খাদকোয়াসলায় ১০৪.২ মিমি এবং সিংহগড় রোডে মাত্র এক ঘণ্টায় ১০০.২ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এই প্রবল বর্ষণে শহর জুড়ে ৮০টিরও বেশি গাছ উপড়ে গিয়েছে এবং রাস্তাঘাট ব্যাপক ভাবে জলমগ্ন হয়ে পড়ে।

5/7

১৬ জেলায় 'ইয়েলো অ্যালার্ট' জারি। আইএমডি রাজ্যের ১৬টি জেলায় আগামী কয়েকদিনের জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করেছে।

6/7

মারাঠওয়াড়ার আওরঙ্গাবাদ, বিড, ওসমানাবাদ, লাতুর, নান্দেদ, পারভানি, হিঙ্গোলি এবং জালনায় 50-60 কিলোমিটার গতিবেগে বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টি এবং বাতাসের সম্ভাবনা রয়েছে। বিদর্ভের আকোলা, অমরাবতী, ইয়াভাতমাল, চন্দ্রপুর এবং গদচিরোলিতে বজ্রপাত ও ঝড় হতে পারে। উত্তর মহারাষ্ট্রে জলগাঁও ও আহমেদনগরেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

7/7

কিন্তু মুম্বইয়ে ভারী বৃষ্টি কেন হচ্ছে না? পুনে এবং মারাঠওয়াড়ায় মুষলধারে বৃষ্টি হলেও মুম্বইয়ে হয়েছে হালকা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতরের মতে, মুম্বই আসলে ওই 'লাইন অফ ডিসকন্টিনিউটি'-র রেডারের বাইরে রয়েছে। এটি এমন এক অঞ্চল, যেখানে বিপরীত দিক থেকে আসা বাতাস (পশ্চিম ও পূর্ব দিক থেকে) একে অপরের সঙ্গে মিলিত হয়। যেহেতু মধ্য মহারাষ্ট্র এবং মারাঠওয়াড়ায় এই সংঘর্ষ আরও তীব্র, তাই সেখানে ভারী বৃষ্টি এবং বজ্রপাত-সহ বৃষ্টি হচ্ছে। অন্য দিকে, মুম্বই তুলনামূলকভাবে শুষ্ক রয়েছে।