Nuclear Power: সারা বিশ্ব এখন আতঙ্কে। কেননা বিশ্বময় যুদ্ধ চলছে। আর সেই যুদ্ধে বড় শক্তি জড়িয়ে গেলেই ভয়ানক ব্যাপার। রাশিয়া-ইউক্রেন, ইসরায়েল-প্যালেস্টাইন। যুদ্ধের শেষ নেই!
1/7ইউক্রেনে চারটি কর্মক্ষম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে, যেখানে ১৫টি রিঅ্যাক্টর আছে। জাপোরিঝিয়া, খমেলনিটস্কি, সাউথ ইউক্রেন এবং রিভনে। জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ইউরোপের বৃহত্তম। রাশিয়ান আগ্রাসনের কারণে ইউক্রেনে পারমাণবিক বিদ্যুতের একটা ঝুঁকি থাকছে।
2/7ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র দেশ, যার কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে। অনুমান করা হয়, ৯০ থেকে ৪০০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড আছে ইসরায়েলের। মনে করা হয় দেশটির কাছে পারমাণবিক অস্ত্র সরবরাহের জন্য একটি ট্রায়াড (ত্রি-ব্যবস্থা) রয়েছে: এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে, ডলফিন-শ্রেণির সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে এবং জেরিকো সিরিজের মাঝারি থেকে আন্তঃমহাদেশীয় পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে।
3/7তাদের প্রথম পারমাণবিক অস্ত্র ১৯৬৬ সালের শেষের দিকে বা ১৯৬৭ সালের শুরুর দিকে তৈরি হয়েছিল। এর জেরে ইসরায়েল ষষ্ঠ পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
4/7পারমাণবিক অস্ত্রের পূর্ণ নির্মূলের আন্তর্জাতিক দিনটি স্মরণে ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চ-পর্যায়ের রাষ্ট্রসংঘ ইভেন্টে, প্য়ালেস্টাইন পারমাণবিক অস্ত্রকে 'অমানবিক, অনৈতিক এবং অবৈধ' হিসেবে বর্ণনা করে। ২০১৭ সালে পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি (TPNW) প্রণয়নে তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে। তারা সেই সব রাষ্ট্রকে 'অবিলম্বে' এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করার আহ্বান জানিয়েছে, যারা এখনও পর্যন্ত এতে স্বাক্ষর করেনি।
5/7পোল্যান্ডে এই মুহূর্তে শুধু একটি গবেষণা রিঅ্যাক্টর চালু আছে। নাম তার --'মারিয়া'। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য তাদের কোনো কর্মক্ষম পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর নেই। তবে ২০২৬ সালে তিনটি ওয়েস্টিংহাউস AP1000 রিঅ্যাক্টর-সহ একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শুরু করার কথা আছে। এটি মূলত ২০৩৩-২০৩৬ সালের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু এখন এটি ২০৪০ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
6/7জানলে হয়তো সকলে আশ্চর্য হবে যে, বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী পরমাণু বোমাটি আমেরিকা নয়, তা রয়েছে রাশিয়ার হাতে! 'বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী' বা 'বিশ্বের সব চেয়ে বড়' পরমাণুবোমার নাম হল 'জার বোম্বা' (Tsar Bomba)। 'জার বোম্বা' তৈরি হয়েছিল ১৯৬১ সালে, তখন রাশিয়া নয়, সোভিয়েত ইউনিয়ন। জারের ক্ষমতা? সহজ করে বললে, হিরোশিমার বুকে যে বোমাটি ফেলা হয়েছিল রাশিয়ার পরমাণুবোমাটি এর তিনহাজার গুণ বেশি শক্তিশালী!
7/7এই বোমা ফেললে এতে যে আগুনবলয় তৈরি হবে, সেটা প্রায় ৮ কিমি জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে। সেই বোমার উপরে ব্যাঙের ছাতার মতো যে মাশরুম ক্লাউড তৈরি হবে সেটা ৬০ কিমিরও বেশি উঁচু হবে! যদি কোনও শহরের উপরে এটা ফেলা হয়, তাহলে এটি এর ৩৫ কিমি ব্যাসের মধ্যে যা কিছু পড়বে, তা পুড়িয়ে শেষ করে দেবে। ১০০ কিমি পর্যন্ত ঝলসে যাবে। বোমা বিস্ফোরণের কেন্দ্র থেকে ১০০ কিমি দূরে থাকা ঘরবাড়ির দরজা-জানলাও এর আঘাতে ভেঙে পড়বে! ভয়ংকর।