1/7প্রতি বছরে শনির একবার করে বক্রী হওয়ার ঘটনা ঘটে। কিন্তু এর আগে শাওন মাসে কখনও এমন ঘটেনি বলেই বলছেন সকলে। শনি কর্মফলদাতা। কিন্তু শিবের কৃপার সময়-পর্বে এরকম শনির দৃষ্টি কেন? কী খারাপ ঘটবে এসময়ে?
2/7আর্থিক সংকট তৈরি হতে পারে, যে-টাকা পাওয়ার কথা ছিল, তা হাতে আসবে না। সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হবে। স্বাস্থ্যের সংকট ঘনাতে পারে। পেশাজীবনে অতৃপ্তি তৈরি হতে পারে। এসব তাঁদের সঙ্গেই হবে, যাঁদের জন্মপত্রিকায় শনির উপস্থিতি বা মীনের প্রভাব তাৎপর্যপূর্ণ। তাহলে দেখে নেওয়া যাক, কাদের কাদের ঘনিয়ে আসছে বিপদ।
3/7শনির জেরে এঁরা বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকবেন। এঁদের মনের নানা পটবদল ঘটবে। এঁরা এই সময়টায় আত্মবীক্ষণ করবেন। তবে প্রচুর টেনশন থাকবে।বেশু কাজ নয়। এঁদের প্রচুর ব্যয় হবে। স্বাস্থ্যহানি ঘটবে। এই শাওনে শিবপুজো করে এর থেকে রেহাই মিলতে পারে।
4/7সামাজিক খ্যাতির উপর প্রভাব পড়বে। কাজের জায়গায় চাপ তৈরি হবে। সময় নিয়ে নিজেকে মানিয়ে নিন। শনি আপনাকে আটকে দেবেন না, তবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আপনাকে আরও চ্যালেঞ্জের সামনে ফেলে দেবেন। প্রতি সোমবার শিবের পুজো করুন এই শাওনে।
5/7শনি হয়তো আপনাকে আবেগের মধ্যে ঠেলে দেবেন। আবার আর্থিক বিপদেও পড়তে পারেন। ঋণের জালে জড়াতে পারেন। প্রতি সোমে শিবের অভিষেক করুন।
6/7বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছন্দুতন ঘটবে। অন্যের কাছে ভুল ভাবে বোধ্য হয়ে উঠবেন, যেটা ভালো হবে না। স্ট্রাগল করে যেতে হবে। কথা বলুন ভেবে। সংসারে, পেশায় মন দিন। শিবের প্রার্থনা করুন, বিপদ কেটে যাবে।
7/7কথা থেকে সতর্ক থাকুন। সহসা বড় ধরনের খরচ হয়ে যেতে পারে। ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং জরুরি। না হলে ঠকবেন। প্রতি সোমবার দানধ্যান করুন। মৌন অবলম্বন করে থাকুন।
(Disclaimer: প্রচলিত ধর্মীয় রীতি, শাস্ত্র বা তত্ত্বের ভিত্তিতে এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এটি মানা বা না মানার সুপারিশ করা হচ্ছে না। বিশ্বাস ব্যক্তিগত বিষয়। সচেতন পাঠক যা করবেন স্বদায়িত্বে। আমাদের সম্পাদকীয় দফতরের কোনও দায়বদ্ধতা নেই।)