SIR in Bengal: SIR-এর নথি নিয়ে চিন্তা করছেন? কিন্তু আপনি জানেন কি, SIR-য়ে কাদের কোনও নথিই দিতে হবে না? হয়তো আপনারও লাগবে না...

Written BySoumitra Sen
Published: Oct 30, 2025, 02:45 PM IST|Updated: Oct 30, 2025, 02:53 PM IST

SIR in Bengal: SIR-এর নথি নিয়ে কি সত্যিই খুব দুশ্চিন্তার কিছু আছে? দিকে দিকে SIR-এর নথি নিয়ে ভয়ংকর উদ্বেগ ছড়িয়েছে। সত্যিই কি নিশ্চিন্ত থাকার দিন ফুরলো?

SIR শুরু1/7

SIR শুরু

মঙ্গলবার থেকেই এ রাজ্যে শুরু হয়ে যাচ্ছে SIR। এই প্রক্রিয়ায় কাদের কোনও নথি দিতে হবে না? কাদের নাম তুলতে হবে? কী কী নথি গ্রাহ্য হবে, এই নিয়ে এখন আলোচনা তুঙ্গে। 

একাদশ নথি2/7

একাদশ নথি

১১ টি নথির তালিকা দেখে অনেকেই এখন নিজের নথি গোছাতে বসেছেন। অনেকেরই মাথায় হাত, কী কী করতে হবে ভেবে। এরই মধ্যে কারা থাকতে পারবেন নিশ্চিন্তে। চলুন দেখে নেওয়া যাক কী বলছে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ।

২০০২ সাল3/7

২০০২ সাল

জানা গিয়েছে, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের আর কোনও নথি দিতে হবে না। ২০০২ সালের তালিকায় ভোটারের মা-বাবার নাম থাকলেও সংশ্লিষ্ট ভোটারকে আর কোনও নথি দিতে হবে না। শুধু কমিশনের ওয়েবসাইটে ঢুকে 'ম্যাচিং' প্রক্রিয়াটি সেরে নিতে হবে। আর এটা এমন কোনও কঠিন কাজ নয়। ভোটাররা নিজেরাই এটা করে নিতে পারবেন। 

কেন ২০০২ সাল?4/7

কেন ২০০২ সাল?

কিন্তু হঠাৎ ২০০২ সালের নথিকে কেন এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে? আসলে পশ্চিমবঙ্গে শেষবার SIR হয়েছিল ২০০২ সালে। তাই সেই বছরের ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই এ রাজ্য়ে এবার SIR-প্রক্রিয়া চলবে। ইতিমধ্য়েই পশ্চিমবঙ্গের ২০০২ সালের ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। সেটা দেখা হবে।  

নথি নয়5/7

নথি নয়

তাই ২০০২ সালের তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের এবার আর কোনও নথি দিতে হবে না।

২০০২ সালের আগে 6/7

২০০২ সালের আগে

তবে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যাঁদের নিজেদের নাম নেই বা তাঁদের মা-বাবার নাম নেই, তাঁদের নথি জমা দিয়ে নাম তুলতে হবে। এক্ষেত্রে কোন কোন নথি দেওয়া যাবে? 

কোন কোন নথি?7/7

কোন কোন নথি?

কেন্দ্রীয় অথবা রাজ্য সরকারের কর্মী হিসেবে যাঁরা কাজ করেছেন অথবা যাঁরা পেনশনার তাঁদের সংশ্লিষ্ট পরিচয়পত্র, বা নথি। ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ব্যাংক, পোস্ট অফিস, এলআইসির কিংবা স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া যে কোনও নথিও গ্রাহ্য। এছাড়াও রয়েছে-- জন্মের শংসাপত্র বা বার্থ সার্টিফিকেট, মাধ্যমিক বা তার পরের শিক্ষাগত যোগ্য়তার সার্টিফিকেট, রাজ্য সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের দেওয়া বাসস্থানের শংসাপত্র, ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট, জাতিগত শংসাপত্র, পাসপোর্ট, কোনও নাগরিকের ন্যাশনাল রেজিস্ট্রার, স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া পারিবারিক রেজিস্ট্রার, জমি অথবা বাড়ির দলিল। এছাড়া পরিচয়পত্র হিসাবে আধার কার্ডও দেখানো যাবে। তবে তা দেখিয়ে নাগরিকত্বের দাবি করা যাবে না। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আধার কার্ডের সঙ্গে ১১টি নথির যে কোনও একটি দিলেই চলবে।