Katwa: জীবন্ত সাপই এখন দেবী দেবী ঝাঁকলাই বা মা ঝঙ্কেশ্বরী! সেই দেবীর পুজোকে ঘিরে রীতিমতো উত্সব চলে মশারু, পলসোনা, ছোটপোষলা ও বড়পোষলা গ্রামে।
1/9সন্দীপ ঘোষ চৌধুরী: বিশ্বাসকে বিষধর সাপও কি দেবী রুপে পুজা পেতে পারে! বিশ্বাস না হলে ঘুরে আসতে পারেন পূর্ব বর্ধমানে মঙ্গলকোটে। জীবন্ত সাপই এখন দেবী দেবী ঝাঁকলাই বা মা ঝঙ্কেশ্বরী! সেই দেবীর পুজোকে ঘিরে রীতিমতো উত্সব চলে চারটি গ্রামে।
2/9শারু, পলসোনা, ছোটপোষলা ও বড়পোষলা। মঙ্গলকোটের পাশাপাশি চারটি গ্রাম। সাপ এখানে সাপ নয়, দেবী!
3/9দীর্ঘ পাঁচশো বছর ধরে সাপের পুজোই এই চার গ্রামে নিজস্ব উত্সব হিসেবে পালিত হচ্ছে।
4/9কালো মাথার পিছন দিকে একটি চক্র। ল্যাজের দিকটা একটু কাটা। দেবী ঝাঁকলাই বা মা ঝঙ্কেশ্বরী আসলে কেউটে প্রজাতির বিষধর সাপ। গ্রামবাসীদের অবশ্য় বিশ্বাস, সাপটি নির্বিষ।
5/9মঙ্গলকোটের মশারু, পলসোনা, ছোটপোষলা ও বড়পোষলা গ্রামে বেদের প্রবেশ নিষেধ। সাপ ধরা বা মারা যায় না। গ্রামের রাস্তায়, বাড়ির উঠোনে, ঘরের আনাচে কানাচে অনায়াসে ঘুরে বেড়ান দেবী দেবী ঝাঁকলাই বা মা ঝঙ্কেশ্বরী।
6/9মঙ্গলকোটে এই চার গ্রামে মানুষ ও সাপের সহাবস্থান দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ।
7/9যদি কখনও সাপ কোন গ্রামবাসীকে দংশন করে তাহলে তাকে দেবীর প্রসাদ হিসেবে মেনে নিয়ে দেবীর নামাঙ্কিত একটি পুকুরের মাটি ও জল ক্ষত স্থানে লাগিয়ে নিতে হবে।
8/9সাপের মৃত্যু হলে দেহ গঙ্গায় দিয়ে সৎকার করতে হয়। গ্রামের মানুষের বিশ্বাস এই সাপকে পুজো করলে গ্রাম রক্ষা পাবে। অনেক বিপদ এমনকী প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে গ্রামবাসীরা রক্ষা পান ।
9/9বিশেষজ্ঞদের দাবি, সংরক্ষণের অভাবে অচিরেই হয়তো বিলুপ্ত হয়ে যাবে বিশেষ প্রজাতির এই সাপ। কিন্তু সাপে ছোবলে কেন বিষ নেই? তা ব্যাখ্যা আজ পর্যন্ত মেলেনি।