First Atomic Explosion 80 Years Ago: সেই ভোরে নিউ মেক্সিকোর আলামোগর্ডোর মরুভূমির মাটি থেকে হঠাৎ একটি বিশাল আগুনের গোলা উপরে উঠতে শুরু করল! সূর্যের মতোই উজ্জ্বল। কয়েক মুহূর্ত পরে টের পাওয়া গেল প্রবল একটা ঝাঁকুনি, সঙ্গে দারুণ শব্দ।
1/8সেটা ছিল একটা জুলাই। ৮০টি বছর পেরিয়ে গিয়েছে। কিন্তু মানুষ এটা ভুলতে পারেনি।
2/8কী ঘটেছিল আট দশক আগের এক জুলাইয়ে? ফেটেছিল এক বোমা।
3/8তারিখটি ছিল ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই। সময়টা ছিল ভোর। ৫টা ২৯ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড!
4/8মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একদল বিজ্ঞানী ও সামরিক কর্মকর্তাদের চোখে এই বিস্ফোরণ সেদিন একরাশ অবিশ্বাস আর এক গভীর বিস্ময়ের অনুভূতি তৈরি করেছিল। কেন?
5/8এই অনুভূতি তৈরি হয়েছিল কারণ, সেই বিস্ফোরণটা ছিল আসলে এক দীর্ঘ শ্রম-গবেষণা-পরিকল্পনার সাফল্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন গোপন গবেষণাগারে বিজ্ঞানী ও সামরিক কর্তারা দীর্ঘদিন ধরে এই লক্ষ্যেই কাজ করছিলেন। এই বিস্ফোরণের মাধ্যমে তা সার্থক হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছিলেন তাঁরা।
6/8১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে সেদিন নতুন এক ইতিহাস তৈরি হয়েছিল। সেদিন ওখানে প্রথমবার পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। দেখতে গেলে বিশ্বে এটাই ছিল ভয়ংকর প্রাণঘাতী পারমাণবিক অস্ত্রের প্রথম পরীক্ষার ঘটনা। এ পরীক্ষার কোড নাম ছিল 'ট্রিনিটি'।
7/8এর মধ্য দিয়েই বিশ্ব পারমাণবিক অস্ত্রের যুগে প্রবেশ করে। আর সেটা এক নতুন যুগ। এই পরীক্ষার মাসখানেক পরে ৬ অগাস্ট জাপানের হিরোশিমা ও ৯ অগাস্ট নাগাসাকিতে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রথম ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
8/8সেই পরীক্ষায় উপস্থিত পদার্থবিদ ম্যাকড্যানিয়েল বলেন-- 'এক বিশাল উজ্জ্বল গোলক বিস্ফোরণের পর দেখা দিল দাউদাউ করা কমলা রঙের আগুনের গোলা, যা ক্রমশ উপরে উঠতে থাকে।' বিস্ফোরণের মুহূর্তে আর এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, 'আমি আমার ঘাড়ের পেছনে তাপ অনুভব করছিলাম, অস্বস্তিকরভাবে গরম জায়গাটা। আমি গগলস খুলে দেখলাম, আগুনের গোলা দ্রুত ওপরে উঠছে। আর তাকে ঘিরে ছিল এক বিশাল বেগুনি-স্বচ্ছ বাতাসের মেঘ! সেদিন সেটা যাঁরা যাঁরা দেখেছিলেন, তাঁরা সারাজীবন কেউই তা ভুলতে পারেননি-- এক ভয়ংকর ও বিস্ময়কর দৃশ্য!'