স্বাস্থ্য কমিশন, রাজ্যের প্রত্যেকটি বেসরকারি হাসপাতালকে বলেছে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের তরফ থেকে যে গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে তা মেনে চলতে হবে।
1/15দেশজুড়ে বাড়ছে,বয়স্ক রোগীদের সংখ্যা। প্রয়োজন বাড়ছে আই সি ইউ ভেন্টিলেশন সাপোর্ট। যার ফলে শুধুমাত্র বিল বাড়াতে কোন দুর্নীতি না করে স্বচ্ছ ভাবে ভেন্টিলেশন যুক্ত আই সি ইউ এবং সি সি ইউ সাপোর্ট প্রদান করতে হবে।
2/15কেন রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়া হচ্ছে,তার পর্যাপ্ত কারণ উল্লেখ থাকতে হবে মেডিকেল রেকর্ডসে।
3/15শারীরিক অবস্থা না পর্যালোচনা করেই,অপ্রয়োজনে শুধুমাত্র চিকিৎসার বিল বাড়াতে, ভেন্টিলেশনযুক্ত আই সি ও সি সি ইউ সাপোর্ট এ রোগীকে রাখা যাবেনা।
4/15রোগীর পরিবারকে না জানিয়ে,ভেন্টিলেশনে দেওয়া যাবে না রোগীকে। রোগী যদি একাকী থাকেন বা কোনও পরিচর্যাকারী না থাকেন, সে ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
5/15ভেন্টিলেটর সাপোর্ট এবং সংশ্লিষ্ট ICU চিকিৎসার দৈনিক খরচ সম্মতির সময়ই পরিচর্যাকারীদের স্পষ্টভাবে জানাতে হবে, যাতে আর্থিক বিষয়ে পূর্ণ স্বচ্ছতা থাকে।
6/15আই সি ইউ বেড ও ভেন্টিলেশন এর খরচ আলাদা ভাবে জানাতে হবে,কোন লুকানো খরচ যেন না থাকে ,যেটা পরিবারের উপরে বোঝা হিসাবে চেপে যেতে পারে।
7/15প্রত্যেক হাসপাতালে ইউনিফায়েড ভেন্টিলেশনের খরচ রাখতে হবে। বেসরকারি হাসপাতালে ভেন্টিলেশন এর খরচ, আলাদা আলাদা কেন হবে। একটি স্ট্যান্ডার্ড রেট চালু করতে হবে।
8/15এতে রোগী ও পরিবারের আর্থিক চাপ কমবে । যাতে কোনো ধরনের বৈষম্য বা অতিরিক্ত আদায়ের সুযোগ না থাকে।
9/15নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী,ভেন্টিলেটর চার্জ কেবলমাত্র তখনই নেওয়া যাবে, যখন যন্ত্রটি সক্রিয়ভাবে রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
10/15নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, ১৪ দিনের বেশি সময় ধরে ভেন্টিলেটরে থাকা প্রতিটি রোগীর ক্ষেত্রে হাসপাতালকে মাসিক অভ্যন্তরীণ অডিট করতে হবে।
11/15এই অডিটে দীর্ঘমেয়াদি ভেন্টিলেশন চালিয়ে যাওয়ার ক্লিনিক্যাল যৌক্তিকতা রয়েছে কিনা পর্যালোচনা করতে হবে। সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য প্রতিটি হাসপাতালে একটি বহুবিভাগীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
12/15রোগীকে ভেন্টিলেশনে দেওয়ার পর থেকে, পরিবারের কাছে আতঙ্ক তৈরি করা যাবে না। চিকিৎসককে আলোচনা করে বোঝাতে হবে গোটা বিষয়টা।
13/15স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নির্দেশিকাগুলি কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হলে রোগী ও তাঁদের পরিবারের আর্থিক সুরক্ষা যেমন বাড়বে, তেমনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর সাধারণ মানুষের আস্থাও আরও দৃঢ় হবে।
14/15রাজ্যের স্বাস্থ্য কমিশনের তরফ থেকে, এই গাইড লাইন যাতে রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতাল গুলি মেনে চলে। সেজন্য কঠোর নির্দেশ জারি করা হল।
15/15স্বাস্থ্য কমিশনের আরও পর্যবেক্ষণ, অহেতুক ভেন্টিলেশনে রেখে বিল বাড়ানো যে পন্থা রয়েছে বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে সেটা কোনওভাবে অস্বীকার করা যায় না।