Burdwan News: পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের তৃণমূল বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। তিনি নিঃসন্তান, পশুপ্রেমী। তাঁর বড় আদরের পোষ্য ছিল রামদাস নামে একটি ছাগল।
1/9পার্থ চৌধুরী: নিজের খেয়ালে ওদিক-সেদিকে ঘুরে বেড়াত। কখনও কখনও ঢুকে পড়ত অন্য় জমিতেও! কেউ কিছু বলত না। রামদাস আর নেই। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সবাইকে ছেড়ে চলে গেল সে। শোকের ছায়া য়া পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের এরুয়ার গ্রামে।
2/9কে এই রামদাস? কোনও মানুষ নয়। একটি ব়ড় প্রজাতির ছাগল। যাকে বলে খাসি।
3/9ছাগল হলেও রামদাসের একটি পরিচয় ছিল। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বড় আদরের পোষ্য ছিল সে।
4/9পোড়াখাওয়া রাজনৈতিক নেতা। ডাকাবুকো স্বভাব। কিন্তু নিঃসন্তান মানগোবিন্দ। পশুপ্রেমী হিসেবে এলাকায় পরিচিত তিনি।
5/9আগেও গোরু ছাগল পুষেছেন বিধায়ক। এখনও অনেক ছাগল আছে তাঁর। তবে রামদাসই ছিল সবচেয়ে আদরের। প্রিয় পোষ্যের মৃত্য়ুতে আঘাতও পেয়েছেন তিনি।
6/9বিধায়কের পোষ্য ছাগলকে চিনতেন গ্রামবাসীরাও। তাঁরা জানাচ্ছেন, রামদাস কারও জমিতে চলে গেলেও কেউ কিছু বলত না। বরং ধরে বেঁধে বাড়িতে পৌঁছে দিত। গ্রামের মানুষেরও প্রিয় ছিল সে।
7/9বিধায়ক মানগোবিন্দ আবার সম্পর্কে জেলা পরিষদের শিক্ষা, ও তথ্য সংস্কৃতি কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার মেসোমশাই। শান্তনু বলেন, 'উনি পশুপাখিদের ভালোবাসেন। রামদাস মেসোমশাইয়ের বড় আদরের ছিল। বিধায়ক হবার অনেক আগে থেকেই খুব যত্নে ' মানুষ ' হয়েছে রামদাস'।
8/9শান্তনু জানান, 'বয়সজনিত কারণে রামদাস অসুস্থ ছিল। একটি পা ভেঙে গিয়েছিল। ইউরিনে ইনফেকশনও হয়েছিল। আজ সকালে গিয়ে দেখা যায় সে আর বেঁচে নেই। বিধায়ক খুব দু:খ পেয়েছেন'। বিধায়কের আর এক আত্মীয় শুভেন্দু সাঁই বলেন, এই যুগে মানুষ মানুষকে ভাল বাসে না। সেখানে মনুষ্যেতর প্রাণীর প্রতি এই ভালবাসা একটা নজির'।
9/9বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন, 'আমার বাড়িতে ৬ টি গরু ও একটি ছাগল ছিল। কিন্তু সেই পোষ্য ছাগলটি মারা গেল। ১৮ বছরের বেশী আমার কাছে ছিল। ২ ছাগল ছিল। একটি অনেক আগেই মারা যায়'।