Durga Puja 2025: 'এটুকু রোজগারই সম্বল', পুজোয় পানের দোকান দিলেন তৃণমূলের দু'বারের পঞ্চায়েত প্রধান!

Written ByTanumoy Ghosal
Published: Sep 29, 2025, 08:38 PM IST|Updated: Sep 29, 2025, 08:38 PM IST

Durga Puja 2025:  জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান অনিতা রাউত। পাতকাটা কলোনি অগ্রণী সংঘের পুজো মণ্ডপের পানের দোকান দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। পাওয়া যাচ্ছে চা ও ঠাণ্ডা পানীয়ও।

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!1/7

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!

প্রদ্যুত্‍ দাস: বোঝো কাণ্ড। পুজোর সময়ে বাড়তি রোজগারের আশায় শেষে কিনা পানের দোকান দিলেন খোদ তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান! ঠাকুর দেখতে এসে সেই দোকানের সামনেই থমকে দাঁড়াচ্ছেন অনেকেই। কেউ কেউ আবার কেনাকাটা করছেন। হাসিমুখে খদ্দেরকে সামলাতে দেখা যাচ্ছে প্রধানকে।

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!2/7

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!

জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান অনিতা রাউত। বাড়িতেই মুদির দোকান চালান তিনি।

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!3/7

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!

কানে বসেই এলাকার মানুষের অভাব শোনেন অনিতা। সার্টিফিকেটও দেন। পুজোর সময়েও সেই রুটিন বদলাল না।

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!4/7

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!

জলপাইগুড়ির পাতকাটা কলোনি অগ্রণী সংঘের পুজো মণ্ডপের পানের দোকান দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। পাওয়া যাচ্ছে চা ও ঠাণ্ডা পানীয়ও।

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!5/7

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!

দোকানদারি ফাঁকেই মোবাইলে এলাকারও খোঁজখবরও রাখছেন প্রধান। প্রয়োজনে নির্দেশও দিচ্ছেন দোকানে বসেই।

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!6/7

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!

অনিতা বলেন,  'পঞ্চায়েত প্রধান হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভাব অভিযোগ শোনা আমার কাজ। কিন্তু নিজের সংসার চালাতে সারা বছর বাড়িতে মুদি দোকান চালাতে হয় আমাকে। পুজোর কদিন একটু ভালো বেচাকেনার আশায় প্যান্ডেলের পাশে দোকান দিই। এটুকুই আমার রোজগারের সম্বল'।

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!7/7

পঞ্চায়েত প্রধানের পানের দোকান!

পাহাড়পুর পঞ্চায়েতের দু'বারের প্রধান অনিতা। সংসার চালাতে পুজোয়  দোকান দেওয়ায় তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিরোধীরাও। তাঁদের কথায়, তৃণমূলের আর পাঁচজন জনপ্রতিনিধির থেকে পাহাড়পুর পঞ্চায়েতের প্রধান একেবারেই আলাদা। তিনি গাড়ি ব্যবহার করেন না। বেশিরভাগ দিন বাড়ি থেকে টোটো করে পঞ্চায়েত অফিসে যান। টোটো না পেলে কিংবা কোনও জরুরি দরকার হলে স্বামীর পুরনো বাইকে যাওয়া আসা করেন।