Purulia: পুরুলিয়ায় তুষারের কণা জমে 'ভূমি তুষার' বা গ্রাউন্ড ফ্রস্ট তৈরি হয়েছে, যা শীতকালের এক বিরল দৃশ্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুষ্ক আবহাওয়া এবং পরিষ্কার আকাশের কারণে রাতের তাপমাত্রা কমে এই ফ্রস্ট সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এই দৃশ্য দেখে অভিভূত, এবং এটি পুরুলিয়ার পর্যটনকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।
1/7মনোরঞ্জন মিশ্র: পুরুলিয়ায় অভূতপূর্ব তুষারপাত! দার্জিলিং-কাশ্মীরের ছোঁয়া এল দক্ষিণবঙ্গের প্রান্তিক জেলায়।
2/7পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়াতেও এবার তুষারের দর্শন মিলেছে। জেলার ঝালদার বেগুনকোদর এবং বান্দোয়ান অঞ্চলে খড়ের গাদা ও খড়ের ছাউনিতে তুষার কণা জমে উঠেছে, যাকে বলা হচ্ছে ভূমি তুষার বা গ্রাউন্ড ফ্রস্ট। যা ভূমির উপরিভাগে তুষারের পাতলা আস্তরণ তৈরি করে। স্থানীয়রা এই দৃশ্য দেখে অভিভূত, যা এ অঞ্চলের জন্য একেবারেই বিরল ঘটনা।
3/7সকালের ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে রাতের তাপমাত্রা নেমে এসেছে নির্দিষ্ট স্তরের নিচে, যার ফলে এই তুষার জমেছে। পুরুলিয়ার এই তুষারপাত স্থানীয় পর্যটনকেও নতুন মাত্রা দিতে পারে। অনেকে এখন এই অঞ্চল ঘুরে আসার পরিকল্পনা করছেন।
4/7আবহাওয়া বিভাগের তথ্য অনুসারে, পুরুলিয়ায় গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৬-৯ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করছে । বিশেষজ্ঞরা জানান, গ্রাউন্ড ফ্রস্ট সাধারণত শুষ্ক আবহাওয়া এবং পরিষ্কার আকাশের কারণে হয়, যা রাতের সময় মাটির তাপমাত্রা কমিয়ে দেয়।
5/7এলাকাবাসীরা বলেন, গত কয়েকদিন ধরেই কনকনে শীতের আমেজ রয়েছে। হাত পা জমে যাওয়ার মতো অবস্থা। বাড়ি থেকে বেরোনো দায়। গত কয়েকদিন ধরে সকালবেলা এলাকার খড়ের গাদায়, খড়ের ছাউনিতে বরফের আস্তরণ দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে শীতকাল এল পুরোদমে। কখনও এমন দেখিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা মোবাইল ফোনে এই দৃশ্য ক্যাপচার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন।
6/7পুরুলিয়ার সিধো কানহো বীরসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলের অধ্যাপক বিশ্বজিৎ বেরা বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার বায়ুমণ্ডলে কিছুগুলি বিষয় এক হয়ে গেলে ‘ভূমি তুষার বা গ্রাউন্ড ফ্রস্ট বা ভূমি তুহিন’ দেখা যায়। সাধারণত পাহাড়ি এলাকায় এটি দেখা যায়। এছাড়া প্রয়োজন হয় বায়ু প্রবাহের গতি প্রায় স্তব্ধ থাকা, পরিস্কার মেঘমুক্ত আকাশ, শীতের দীর্ঘ রাত, ভূমি ভাগে আর্দ্রতা।
7/7এক্ষেত্রে সন্ধ্যের পর থেকে ভূমি ভাগ লং ওয়েভ তাপ বিকিরন করে। এই সময় ডিউ পয়েন্ট তাপমাত্রা নেমে যায়। জলীয় বাষ্প বা ভেপার থেকে ফ্রস্ট বা তুহিন দেখা যায়। যে পদ্ধতিতে এটি হয় তাকে বলা হয় উর্ধ্ব পতন বা সাব লিমেশন। এখানে জলীয় বাষ্প সরাসরি আইস ক্রিস্টলে পরিণত হয়।