Trump Tariffs withdrawl from India: ট্রাম্পের (Trump) শুল্কচাপে (Tariffs) দু'দেশের সম্পর্ক তলানিতে এসে ঠেকেছিল। অন্যান্য সব দেশের থেকে বেশি ট্যারিফ দেওয়া হয়েছিল ভারতকে। 'Maharaja of Tariff' - এই অ্যাখ্যা দিয়েছিল ভারতকে। তেল আমদানির জন্য রাশিয়ার (Russia) হাত ধরেছে ভারত। তাতেও রক্তচক্ষু হয়েছে আমেরিকার। চিন (China) এসে পাশে দাড়িয়েছে ভারতের, কিন্তু চিরশত্রু পাকিস্তান (Pakistan) ভারতকে হুংকার দিয়েই গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গত মঙ্গলবার দিল্লিতে ভারত এবং আমেরিকা বাণিজ্য প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকের পরে প্রথম এমন কোনও বক্তব্য এল কেন্দ্রের তরফে। বস্তুত, মঙ্গলবারের বৈঠকের পরে ভারত এবং আমেরিকা, দু’পক্ষই জানিয়েছিল বৈঠক ইতিবাচক হয়েছে। তবে বিস্তারিত কোনও মন্তব্য করেনি কোনও পক্ষই। এ অবস্থায় ভারতের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টার মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: শুল্ক নিয়ে ভারত এবং আমেরিকার তিক্ত সম্পর্ক কিছুটা মধুর হতে চলেছে। শুল্ক-গুঁতোয় আগস্টের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ভারতকে অস্থির করেছিল আমেরিকা। দু'বার শুল্কের চাপে ভারতের অর্থনীতিকে কোণঠাসা করেছে। তবে কি এই সমস্যা শীঘ্রই মিটতে চলেছে? বৃহস্পতিবার কলকাতায় এমনটাই জানালেন দেশের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরন। তাঁর কথায়, আগামী ৮-১০ সপ্তাহের মধ্যে শুল্ক-সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। অর্থাত্, ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই পরিস্থিতি বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা।
1/10রাশিয়ার থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের উপর যে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছে তা উঠে যেতে পারে।
2/10এ ছাড়া প্রথমে যে ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হয়েছিল, তা-ও কমে ১০-১৫ শতাংশের মধ্যে কিছু স্থির হতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।
3/10ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা অনেক দিন ধরেই চলছে। দু’পক্ষই বিভিন্ন সময়ে জানিয়েছে, আলোচনা ভাল ভাবেই এগোচ্ছে এবং শীঘ্রই একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি হয়ে যাবে।
4/10তবে এরই মধ্যে গত ৩০ জুলাই ভারতের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করে দেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
5/10রাশিয়ার থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে অসন্তোষের কথাও জানিয়েছিলেন সেই সময়।
6/10পরে গত ৬ অগস্ট রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপান ট্রাম্প, যা কার্যকর হয় ২৭ অগস্ট থেকে।
7/10বর্তমানে আমেরিকার বাজারে ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর রয়েছে। ভারত এবং ব্রাজ়িল ছাড়া অন্য কোনও দেশের উপর এত চড়া হারে শুল্ক চাপাননি ট্রাম্প।
8/10তবে সম্প্রতি ভারত প্রসঙ্গে সুর নরম করেন ট্রাম্প। ভারতের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা আদৌ সহজ ছিল না। শুল্কের জন্য যে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে ফাটল ধরেছে, তা-ও মেনে নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি তিনি এ-ও জানিয়েছিলেন, বাণিজ্যের প্রতিবন্ধকতা কাটানোর জন্য তাঁর প্রশাসন ভারতের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছে।
9/10তিনি নিজেও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে কথা বলতে চান, সে কথাও জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।
10/10মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওই বক্তব্যের পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও সমাজমাধ্যমে লেখেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অনুভূতি এবং দুই দেশের সম্পর্কের ইতিবাচক মূল্যায়নকে উপলব্ধি করতে পারছি। তার প্রতিদানও দেওয়ার চেষ্টা করব।’’