Will India extradite Sheikh Hasina to Bangladesh?: ঢাকা জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আজ, সোমবার রায় ঘোষণা করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এবার? এবার ভারত কি করবে?
1/6এটা খুবই পুরনো একটা বিষয়। নতুন করে মাথা চাড়া দিচ্ছে।
2/6কিন্তু এ-ও ঠিক, যেদিন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাসিনার বিচার শুরু হয়েছে, সেদিন থেকেই নয়া দিল্লি বারবার ঢাকার দিক থেকে হাসিনা সংক্রান্ত নানা চাপের মুখে পড়েছে। কিন্তু কেন পড়েছে? ভারতের দিক থেকে বিষয়টিতে কোনও মান্য়তা দেওয়া হয়নি।
3/6গোপন সূত্রে মনে করা হচ্ছে, হাসিনা ভারতেই আছেন। তবে সেটার বিষয়ে ভারত সরকার নীতিগত কারণেই কোনও ঘোষণা করেনি। হাসিনার সঙ্গে এমনকি তাঁর মেয়েও দেখা করতে পারেন না। শুধু এইটুকুই যে, কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত আছেন হাসিনা। কিন্তু কোথায় আছেন তিনি? কখনও এবং কোথাও সেটা নির্দিষ্ট ভাবে স্পষ্ট করে বলা নেই।
4/6আর হাসিনাকে ঘিরে ভারতে অতীতের যে ঘটনাক্রম তাতে দেখা গিয়েছে, তাতে বলা যায় যে, ভারতের এমন কোনও ইচ্ছাই নেই যে, তারা হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে ফেরাবে!
5/6বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের আইনি উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছিলেন, ভারত যদি প্রত্যর্পণে অস্বীকৃতি জানায়, তবে ঢাকা তীব্র প্রতিবাদ জানাবে। তিনি বলেছিলেন, ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত অপরাধমূলক প্রত্যর্পণ চুক্তির অধীনে নয়াদিল্লি এটা করতে বাধ্য। নজরুল বলেন, ভারত যদি এর সৎভাবে ব্যাখ্যা করে, তবে ভারতকে অবশ্যই হাসিনাকে (বাংলাদেশে) ফেরত দিতে হবে! তবে, ওই চুক্তিটি একটি ধারা রেখেছে, যেখানে অপরাধ যদি রাজনৈতিক প্রকৃতির হয়, তবে প্রত্যর্পণ প্রত্যাখ্যান করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
6/6প্রত্যর্পণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী বলেন, শেখ হাসিনা সম্পর্কিত ভারতের সিদ্ধান্তে আইনি বাধ্যবাধকতা, মানবিক নীতি এবং কৌশলগত স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকবে। মূল বিবেচ্য বিষয়গুলির মধ্যে রয়েছে আইনি মূল্যায়ন, মানবাধিকার সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা এবং কূটনৈতিক কৌশল! তাহলে? কী দাঁড়াল?