close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

ইসলামপুরের সরস্বতী বিদ্যামন্দিরের অনুমোদন বাতিল করল শিক্ষা দফতর

গত বৃহস্পতিবারই স্কুলের অনুমোদন বাতিলের খবর জানা গিয়েছিল। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে সেই নির্দেশিকা প্রকাশ করে স্কুল শিক্ষা দফতর। ওদিকে রবিবার স্কুল খোলার দাবিতে ইসলামপুরে শুরু হয় বিক্ষোভ। ওই স্কুলের ৫৪০ জন ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যত্ কী হবে তা নিয়ে এদিন মহকুমা শাসরে দফতরে জেলা স্কুল পরিদর্শক সুজিত মাইতির সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা ছিল অভিভাবকদের।

Updated: Nov 19, 2018, 06:33 PM IST
ইসলামপুরের সরস্বতী বিদ্যামন্দিরের অনুমোদন বাতিল করল শিক্ষা দফতর

নিজস্ব প্রতিবেদন: ইসলামপুরের RSS পরিচালিত বিতর্কিত সরস্বতী বিদ্যামন্দিরের অনুমোদন বাতিল করল রাজ্য শিক্ষা দফতর। সোমবার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে শিক্ষা দফতর। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, যে নামে স্কুলের অনুমোদন ছিল আর যে নামে স্কুল চলছিল তা আলাদা। তাই অনুমোদন বাতিল হয়েছে। ওদিকে স্কুলের অনুমোদন বাতিলের খবর ছড়াতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিভাবকরা। ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন তাঁরা।

উত্তর প্রদেশে যোগী সরকারের নাম বদলের হিড়িকের মধ্যেই গত মাসে প্রকাশ্যে আসে ইসলামপুর স্বরস্বতী বিদ্যামন্দিরের নাম বিভ্রাট। দেখা যায়, সেখানে 'ইসলামপুর'-এর বদলে লেখা রয়েছে 'ঈশ্বরপুর'। তাছাড়া একই সঙ্গে চলছে সরস্বতী শিশু মন্দির নামে একটি স্কুল। যদিও স্কুলের মূল বোর্ডে স্থানের নাম 'ইসলামপুর'-ই লেখা আছে বলে দেখা যায়। কিন্তু অন্যান্য বিভিন্ন জায়গায় ও স্কুলের গাড়িতে 'ঈশ্বরপুর'। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি দীর্ঘ দিন ধরেই লেখা রয়েছে ওই নাম। ফলে নতুন করে বিতর্কের সুযোগ নেই। কিন্তু ঘটনায় হস্তক্ষেপ করে শিক্ষা দফতর। 

লোক ছিল না তাই সূর্য রাজ্য সম্পাদক হয়েছেন, তীব্র আক্রমণ দিলীপ ঘোষের

গত বৃহস্পতিবারই স্কুলের অনুমোদন বাতিলের খবর জানা গিয়েছিল। সোমবার আনুষ্ঠানিক ভাবে সেই নির্দেশিকা প্রকাশ করে স্কুল শিক্ষা দফতর। ওদিকে রবিবার স্কুল খোলার দাবিতে ইসলামপুরে শুরু হয় বিক্ষোভ। ওই স্কুলের ৫৪০ জন ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যত্ কী হবে তা নিয়ে এদিন মহকুমা শাসরে দফতরে জেলা স্কুল পরিদর্শক সুজিত মাইতির সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা ছিল অভিভাবকদের। কিন্তু তীব্র বিক্ষোভের মুখে পড়ে সেই বৈঠক বাতিল করেন স্কুল পরিদর্শক। 
এর পর ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি সন্তানরা যে স্কুলে পড়ছিল সেখানেই পড়বে। তার ব্যবস্থা করতে হবে প্রশাসনকে। এব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখে কুলুপ এঁটেছেন জেলা স্কুল পরিদর্শক। যদিও অভিভাবকদের তিনি জানিয়েছেন, নতুন ভবন তৈরি করে স্কুল অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হবে।