)
বিধান সরকার: এই ২১ জুলাই এমন একটা সময়ে, যে সময় বাঙালীদের উপর নির্যাতন, হেনস্থার অভিযোগ উঠছে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে। ২১ এর স্লোগান ছিল 'বাংলা নিজের মেয়েকে চায়'। ২৬ এর আগে আরেক ২১ এ স্লোগান উঠল 'বাঙালি প্রধানমন্ত্রী চাই'। ২১ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে আবেগ, শপথ নেওয়ার দিন বলে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
বাংলা ভাষাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলাদেশী বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে শুধুমাত্র বাংলায় কথা বলায়। বিজেপির বিরুদ্ধে এই ইস্যুতে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করার পাশাপাশি সুর চড়াচ্ছে তৃণমূল। আজ ২১ জুলাইয়ের সমাবেশে যাওয়ার সময় দেখা গেল 'বাঙালী প্রধানমন্ত্রী চাই'। সংখ্যালঘু ভোট, লক্ষ্মী ভান্ডারের মত প্রকল্প এবং বাঙালী অস্মিতাকে উস্কে দিয়ে ২৬ এর বিধানসভা ভোট বৈতরণি পার হয়ে যাবে তৃনমূল।
কিন্তু তাদের পাখির চোখ ২৯ এর লোকসভায়। তার দেওয়াল লিখন ২১ জুলাই থেকে শুরু হয়ে গেল। পূর্ব বর্ধমানের মেমারী থেকে এসেছেন বাসুদেব মন্ডল। তার হাতে বাঙালী প্রধানমন্ত্রী চাই পোস্টার। কেন এই পোস্টার নিয়ে ধর্মতলা সভায়? তৃণমূল কর্মী বাসুদেব বলেন, 'কেন্দ্র সরকার বাংলা বিদ্বেষী। বাঙলাকে বঞ্চনা করছে প্রতিনিয়ত। তাই বাংলার মানুষ বাঙালী প্রধানমন্ত্রী চায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই প্রধানমন্ত্রী দেখতে চায়।'
তবে শুধু বাসুদেব বাবুই নন, মমতা আবেগে শান দিয়ে দলে দলে মানুষ যোগ দিতে চলেছেন ২১ জুলাইয়ের সভামঞ্চের উদ্দেশ্যে। নবদ্বীপ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কর্মীরা সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা নিয়ে একুশে জুলাই সমাবেশে পৌঁছচ্ছেন। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেজেছেন একজন মহিলা তৃণমূল কর্মী। আবার সকাল-সকাল হাওড়ায় দেখা গেল 'আরেক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়'কে। ধর্মতলা সভায় মমতার কথা শুনতেই তৃণমূলকর্মীরা হাজির হচ্ছেন। সেখানেই যাবার উদ্দেশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেজেছেন একজন মহিলা তৃণমূল কর্মী।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)