Panihati Muncipalty: 'আমি আমার যা বক্তব্য, যা অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীকে কাল চিঠি দিয়েছি। ববি হাকিমকে হাতে হাতে চিঠি দিয়েছি। চিঠির উত্তর তো আমি বলতে পারব না। আমি অপেক্ষা করছি, ববি হাকিমের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আসার অপেক্ষা করছি'।
Zee ২৪ ঘণ্টার সব খবরের আপডেটে চোখ রাখুন। ফলো করুন Google News
এদিন মলয় বলেন, 'আমি, আমার মুখ্যমন্ত্রী কথা, পুরমন্ত্রীর কথা, কালকে আমি পাবলিকলি শুনিয়ে দিয়েছি। সারা বাংলার মানুষ শুনে নিয়েছে। আমি খুশি'। ইস্তফা দেবেন না দেবেন না? তাঁর সাফ কথা, সে তো পরের কথা। দেখা যাক, সবে ঘুম থেকে উঠলাম। স্নান খাওয়া করলাম। দেখি চিন্তাভাবনা করে। আমি আমার যা বক্তব্য, যা অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীকে কাল চিঠি দিয়েছি। ববি হাকিমকে হাতে হাতে চিঠি দিয়েছি। চিঠির উত্তর তো আমি বলতে পারব না। আমি অপেক্ষা করছি, ববি হাকিমের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আসার অপেক্ষা করছি'।
ঘটনাটি ঠিক কী? গতকাল মঙ্গলবার সকালে ফোন করে পানিহাটি পুরসভার চেয়ারম্যানকে পদ ছাড়া নির্দেশ দেন পুরমন্ত্রীই। এরপর সন্ধ্যায় চেতলার বাড়িতে দিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। প্রায় ২৭ মিনিট কথা হয় দু'জনের। এরপর মলয় নিজেই জানিয়েছিলেন, ' মন্ত্রীর কাছে ইস্তফাপত্র দিয়েছি। SDO-কেও দিয়ে এসেছি'। বলেছিলেন, 'সর্বোচ্চ নেত্রী যখন বলে দিয়েছেন, স্বাভাবিকভাবেই তাঁর নির্দেশ আমাকে মানতেই হবে'।
ফিরহাদের বক্তব্য ছিল, 'আমার পার্টি থেকে আমাদের নেত্রী, ওকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন পানিহাটিতে। নিশ্চয়ই নেত্রীর মাথা কিছু আছে, ওনাকে অন্য কোনও দায়িত্ব দেবেন বা দলের কোনও কাজে লাগাবেন। আমরা তো দলের সৈনিক। নেত্রী যে কাজটা দেন, সেই কাজটা করি। চেয়ার নিয়ে জন্মাইনি, চেয়ার নিয়ে মরেও যাব না। কিন্তু পার্টির আদর্শ, পার্টির প্রতি আনুগত্য নিয়ে থাকব'।
সূত্রের খবর, পানিহাটি পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক বেনিয়মের অভিযোগ জমা পড়েছে প্রশাসনের একেবারে শীর্ষস্তরে। এর আগেও দু'একবার তাঁকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পদ ছাড়া তো দূর অস্ত, কী অন্যায় করেছেন, তা পরিষ্কার করে দেওয়ার দাবি তোলেন মলয়।
By accepting cookies, you agree to the storing of cookies on your device to enhance site navigation, analyze site usage, and assist in our marketing efforts.