Jalpaiguri: প্রেমিকের অকালমৃত্যুতে ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল সবকিছু, সপ্তাহ পার হতেই চরম পদক্ষেপ নাবালিকার...

Jalpaiguri: মৃতার বাবা বলেন, মেয়ের সঙ্গে যে ছেলেটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল সে মারা গিয়েছিল। ও ফোন করে জেনেছিল। ওদের সম্পর্কে আমাদের কোনও আপত্তি ছিল না

সিকান্দর আবু জ়াফর | Updated By: Dec 14, 2025, 02:06 PM IST
Jalpaiguri: প্রেমিকের অকালমৃত্যুতে ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল সবকিছু, সপ্তাহ পার হতেই চরম পদক্ষেপ নাবালিকার...

প্রদ্যুত্ দাস: প্রেমিকের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত প্রেমিকার। আট দিনের জীবন যুদ্ধের পর নিভে গেল ১৭ বছরের জীবন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের চুরা ভান্ডার গ্রাম পঞ্চায়েতের পশ্চিম শালবাড়ি এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। প্রেমিকের মৃত্যুর ঠিক পরের দিনই কীটনাশক পান করে  ১৭ বছরের নাবালিকা কিশোরী মনীষা রায়। টানা আট দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে শনিবার জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করল সে।

Add Zee News as a Preferred Source

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছর ধরে ময়নাগুড়ির জল্পেশ এলাকার এক কিশোরের সঙ্গে মনীষার গভীর প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। বিষয়টি দুই পরিবারেরই জানা ছিল এবং তারা এই সম্পর্ক মেনে নিয়েছিল। পরিবারের দাবি, দু’জনের বয়স উপযুক্ত হলেই বিয়ে দেওয়ার কথাও স্থির ছিল।

এদিকে, হঠাৎ করেই সবকিছু ওলটপালট হয়ে যায়। কয়েকদিন আগে শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে মনীষার প্রেমিক। চিকিৎসা চলাকালীনই তার মৃত্যু হয়। এই অকাল মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে মনীষা। প্রিয় মানুষের চলে যাওয়ার শোক সে কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি বলে পরিবারের দাবি।

প্রেমিকের মৃত্যুর ঠিক পরের দিনই মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে, এরপরই কীটনাশক খেয়ে ফেলেন মনীষা বলে পরিবারের তরফে পিতা খগেন্দ্রনাথ রায়ের দাবি। সংকটজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা, কিন্তু জীবনযুদ্ধে শেষরক্ষা হল না। টানা আট দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালিয়েও অবশেষে হার মানে কিশোরীর প্রাণ।

আরও পড়ুন-বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ মেসি, মাঠ ছাড়ার সময় সৌরভ বলেছিলেন, 'প্লিজ.....'

আরও পড়ুন-মাঠে ব্যাডমিন্টনে মত্ত ছিল কচিকাঁচারা, হঠাত্ বিকট শব্দ, মাটিতে পড়ে ছটফট করতে লাগল শিশু...

মনীষার মৃত্যুর খবরে পশ্চিম শালবাড়ি এলাকায় শোকস্তব্ধ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একসঙ্গে নিভে গেল দু’টি তরতাজা জীবন, ভেঙে পড়েছেন দুই পরিবারের সদস্যরাও। 

মৃতার বাবা বলেন, মেয়ের সঙ্গে যে ছেলেটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল সে মারা গিয়েছিল। ও ফোন করে জেনেছিল। ওদের সম্পর্কে আমাদের কোনও আপত্তি ছিল না। ছেলের পরিবারের তরফেও কোনও বাধা দেওয়া হয়নি। ও। মৃত্যুর খবর পেয়ে মেয়ে ওদের ওখানে গিয়েছিল। আমরা গিয়ে মেয়েকে নিয়ে এসেছিলাম। তার ঘরে ফিরেই ও ঘাস মারা বিষ খেয়ে নিয়েছে। সন্ধায় আমরা জানতে পারি। ক্লাস টেনে পড়ত ও। ছেলের নাকি ব্রেন টিউমার ছিল। ছেলেটির মারা যাওয়ার শোক ও সামলাতে পারেনি। কী বলব, আমার ভাগ্যের দোষ। প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালে ছিল। 

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

About the Author
.