)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফের ধস ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের তার খোলা এলাকায়। বুধবার সকালে ওই এলাকায় ধস নামে। জানা গিয়েছে ,জাতীয় সড়ক ১০ এর তারখলায় ওই জায়গায় গতকাল ধস নেমেছিল তবে রাত নাগাদ যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। আজ ফের ওই একই জায়গায় ধস নামে। পাশাপাশি,ধস সরিয়ে জান চলাচলের পরিস্তিতি সাভাবিক করবা চেষ্টায় রয়েছে প্রশাসন। তিস্তা নদীর উপর লাল সতর্কতা অব্যাহত।
মেখলিগঞ্জ- বাংলাদেশ বর্ডার পর্যন্ত অসংরক্ষিত এলাকায় লাল সতর্কতা। NH31 জলঢাকা নদীতে হলুদ সর্তকতা। তবে তিস্তার নদীর দমহনী থেকে যাবতীয় সতর্কতা উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার সকাল ৮ টায় জলপাইগুড়ি গজলডোবা তিস্তা ব্যারেজ থেকে ১৭৬২.৫৩ কিউমেটক জল ছাড়া হয়েছে। দফাই দফায় জল ছাড়া হচ্ছে হলে জলপাইগুড়ি সেচ দফতর সূত্র জানা যায়।
NH closed due to overflowing Teesta. Use Lava route for travel. pic.twitter.com/CLdiKpHhEy
— I Love Siliguri (@ILoveSiliguri) July 29, 2025
সকাল থেকে জাতীয় সড়ক ১০ খোলা রয়েছে। যানবাহন ছলাছল কিছুটা সাভাবিক। মঙ্গলবারের ধস প্রবণ এলাকায় ওয়ান ওয়ে করে যান চলাচলের ব্যবস্থা করেছে কালিম্পং জেলা প্রশাসন। আজ সকাল থেকে তিস্তার জল অনেকটাই নেমেছে। হাল্কা ও মাঝারি বৃষ্টি পড়ছে পাহাড়ে। তিস্তার জল বেড়ে গ্রামে প্রবেশ করায় চিন্তায় রাতভর ঘুম নেই জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের দক্ষিণ সুকান্ত নাগর কলনির বেশ কিছু এলাকা-সহ ময়নাগুড়ি ব্লকের দমহনি সংলগ্ন এলাকার পাশাপাশি ক্রান্তি ব্লকের বাসুসুবা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে।
ফুঁসছে তিস্তা। লাল সতর্কতা বহাল তিস্তা নদীর মেখলিগঞ্জ থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায়। প্লাবিত জলপাইগুড়ি, ময়নাগুড়ি দমহনি সংলগ্ন এলাকা ও ক্রান্তি ব্লকের একাংশ এলাকা। বাসুসুবা অঞ্চলের কেরানি পাড়া এলাকায় জলমগ্ন শতাধিক বাড়ি। নাওয়া খাওয়া বন্দ। এলাকায় পানীয় জলের সমস্যা। সব মিলিয়ে ঘুম উড়েছে তিস্তা পারের বাসিন্দাদের।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায়দোমহনী অঞ্চলের বর্মন পাড়ার বাসিন্দা বাবুল মহম্মদ, নুরবানু খাতুন,আব্দুল মহম্মদ বলেন তিস্তায় জল বেড়েছে। তাই আমাদের গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। আমরা আতঙ্কে আছি। চোখে ঘুম নেই। বাসুসুবা অঞ্চলের কেরানি পাড়া এলাকার বাসিন্দা মনিকা রায় বর্মন, স্বদেশ রায় দের বক্তব্য তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়লেই আমাদের গ্রাম ভেসে যায়। এবারেও ঠিক তাই। আমাদের ঘরে এক কোমড় জল। নাওয়া খাওয়া বন্দ। প্রশাসন চিড়া গুড় দিয়েছে। কিন্তু পানীয় জল নেই।
ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কুমুদ রঞ্জন রায় বলেন তিস্তায় জল বাড়লেই তিস্তা পাড়ের বাসিন্দারা সমস্যায় পড়ে। আমরা তাদের পাশে সবসময় দাঁড়াই। এবারেও পাহাড়ে বেশি বৃষ্টির কারনে তিস্তা ব্যারেজ থেকে প্রচুর জল ছেড়েছে। তাই বানভাসি হয়েছে কিছু মানুষ। নবান্ন থেকে নির্দেশ এসেছে। আমরা ওইসব এলাকায় থাকা দুর্গত মানুষের জন্য রিলিজ দেওয়ার কাজ শুরু করেছি। কিছু এলাকায় পানীয় জলের অভাব আছে। আমরা দেখছি সেই সমস্যা কিভাবে মেটানো যায়।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)