)
পিয়ালী মিত্র: বৃহস্পতিবার তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে দেদার গুলি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তৃণমূল নেতার। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত তৃণমূল নেতার নাম রজ্জাক খাঁ। গত রাতে তিনি তৃণমূল কর্মী আরাবুল খানের সঙ্গে বিজয়গঞ্জ পার্টি অফিসে মিটিং করেন। মিটিং করে রজ্জাক খাঁ বিজয়গঞ্জ বাজারের দিকে বুলেটে করে বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তাতেই রজ্জাক খাঁকে নৃশংস খুন করা হয়।
পুলিসের অনুমান, ঘটনাস্থলের দুদিকে রয়েছে ভেরি, সেখানে আগে থেকেই ওই জায়গায় লুকিয়ে ছিল আততায়ীরা। তিনি যে ওই রাস্তা দিয়ে ফেরেন বা ফিরবেন সে খবর আগে থেকে ছিল দুষ্কৃতীদের কাছে, অনুমান পুলিসের। তবে এই ঘটনা পরিকল্পিত বলেই মনে করছে পুলিস।
আরও জানা গিয়েছে, রজ্জাক বিধায়ক শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠ। অন্যদিন তিনি সাধারণত ৭-৭.৩০টা নাগাদ বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু গতকাল রাত হয়ে গিয়েছিল। সেই খবরও হামলাকারীদের কাছে আগে থেকেই ছিল বলে মনে করছে পুলিস। বাইকে তাঁর সঙ্গে পাড়ার দুই যুবক ছিল। তাদের পুলিস জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল থেকে চারটে গুলির খোল উদ্বার হয়েছে। তৃণমূল নেতার বুকে গুলি করা হয়। সেই সঙ্গে মুখ, চোখ সহ একাধিক জায়গায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। ইতোমধ্যেই রেজ্জাক খাঁয়ের বুলেটটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই এই ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় ভাঙড় এলাকায়। দোষীদের গ্রেফতার দাবিতে পথ অবরোধ করেন রজ্জাকের অনুগামীরা। ভাঙড় এখন কলকাতা পুলিসে এলাকায়। রাতেই ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন কলকাতা পুলিস কমিশনার মনোজ ভার্মা। ঘটনাস্থলে আজ হোমিসাইড শাখা তদন্তে নেমেছে।
শওকত মোল্লা বলেন, 'অজ্ঞাত দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। চার-পাঁচ জন দুষ্কৃতি ছিল। যে দুজন সঙ্গে ছিল তারা ভয়ে লুকিয়ে যায়। তিন চার দিক থেকে গুলি চালাতে শুরু করে। আইএসএফ-এর হাত আছে বলেই মনে হচ্ছে।'
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)