Lovely Moitra on Rajanya Haldar: ওর পরিবারের একজন সদস্য আছেন যিনি সক্রিয় বিজেপি কর্মী। তার সমস্ত কিছু তথ্য প্রমাণ আমরা জানি

তথাগত চক্রবর্তী: শুধু তাই নয়, রাজন্যা হালদারের অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলেছেন লাভলী মৈত্র। তিনি প্রশ্ন তোলেন, 'যদি এতই সমস্যা ছিল, তাহলে এতদিন চুপ ছিলেন কেন? এখন হঠাৎ কেন এসব বলছেন?'
আমি যতদূর জানি উনি দল থেকে সাসপেন্ডেড। একদিন সকালেই হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে ওর কেন মনে হল ওর AI করা ছবি অন্য কারও মোবাইলে থাকতে পারে এবং তা ভাইরাল হতে পারে? যদি এটা তখন তার মনে হত, তাহলে আগেই পুলিসের দ্বারস্থ হওয়া উচিত ছিল। যেদিন ওর প্রথম মনে হয়েছিল সেদিন ও পুলিশের কাছে যাননি। হঠাৎ দেড় বছর দু'বছর পর উনি মনে করলেন উনি নির্যাতিতা। হঠাৎ করে একদিন মনে হল আর মিডিয়ার সামনে বাইট দিতে বসে গেলাম- এই ব্যাপারটা পুরোপুরি অবাস্তব।
সেজেগুজে মেকআপ করে হঠাৎ করে টিভির পর্দায় এসে উনি এই কথাগুলো বলতে শুরু করলেন। আমার মনে হয় সবাই এটা বুঝতে পারছে ওর আসল উদ্দেশ্যটা কী। এই ধরনের মানুষ যারা সমাজমাধ্যমের সামনে শুধু টিকে থাকতে চায়, তারা মিডিয়া আছে বলেই আছে। আপনারা সবাই ওর পাশে আছেন বলেই উনি টিকে আছেন। আমি মনে করি না ও এতটা গুরুত্বপূর্ণ। ওকে নিয়ে কথা বলার কিছু আছে। চার আনার পুইশাকের GST হয় না।
ওর পরিবারের একজন সদস্য আছেন যিনি সক্রিয় বিজেপি কর্মী। তার সমস্ত কিছু তথ্য প্রমাণ আমরা জানি। আমার বিধানসভা এলাকাতেই ওর বাড়ি তাই আমি সবটাই জানি। উনি কী উদ্দেশ্যে এটা করছেন কি কারনে কি চাইছেন সেটা আমাদের কাছে খুব পরিষ্কার। বাকিটা আমাদের দলের সিদ্ধান্ত। আমাদের পুলিশ প্রশাসন সক্রিয় এবং তৎপর কারণ আমাদের পুলিস মন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সব সময় সব ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ নেন এবং যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি সেটা সমাধান করার চেষ্টা করে। কারণ উনি একমাত্র মহিলা মুখ্যমন্ত্রী, যিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে ধর্ষকের বিরুদ্ধে হাটেন, দর্শকের শাস্তি চায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্ষণের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স রীতি প্রয়োগ করেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চান ধর্ষককে এনকাউন্টার করে মারা হোক।
উল্লেখ্য রাজন্যা কিছুদিন আগেই অভিযোগ করেছিলেন, মনোজিতের ফোনে রাজন্যার A1 করা নগ্ন ফটো রয়েছে এবং এই ছবি সবার ফোনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁর ইমেজ নষ্ট করার জন্যই। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের একাংশের বিরুদ্ধে তিনি সরব। সম্প্রতি এই ব্যাপারে তিনি ভয়ংকর অভিযোগ এনেছেন।
তাঁর দলের যুব নেতানেত্রীরাই তাঁকে কলুষিত করেছে। 'মনোজিতের মতো অনেকেই তৃণমূল ছাত্রপরিষদে রয়েছে। নিজেদের ঘর নিজেদেরই পরিষ্কার করতে হবে। অন্যের ঘর পরে দেখব। তীব্র নারীবিদ্বেষী মনোভাবের স্বীকার আমি। আমি জানি আমার সঙ্গে কী ঘটেছিল। আমি কীসের সঙ্গে লড়াই করেছি'।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)