)
পিয়ালী মিত্র: নেপালে অশান্তি জের। উত্তরবঙ্গে সীমান্ত লাগোয়া নকশালবাডি, বীরগঞ্জ, কাঁকড়াভিটে, রকশৌল, বিরাটনগরে আটকে পড়ল কয়েকশো পণ্যবাহী ট্রাক। বিপাকে ব্য়বসায়ীরা। তাঁদের আশঙ্কা, এভাবে ট্রাক আটকে থাকলে ওষুধ, শাকসবজি, খাদ্যসামগ্রী নষ্ট হয়ে যাবে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে? রাতেই বৈঠক হবে বলে খবর। পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গাডকরি ও মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখতে চলেছে ফেডারেশন অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রাক অপেরেটার্স অ্যাসোসিয়েশন।
জেন জি-র বিক্ষোভে উত্তাল নেপাল। পুলিসের গুলিতে এখনও পর্যন্ত নিহত ১৯ বিক্ষোভকারী। কিন্তু তাতেও বিক্ষোভের আঁচ তো কমেইনি, বরং আজ, মঙ্গলবার থেকে পথে নেমেছেন মানুষ। শাসক ও বিরোধী দলের নেতাদের বাড়ি শুরু হয়ে গিয়েছে ভাঙচুর। শোনা যাচ্ছে, খোদ প্রধানমন্ত্রী ওলির বাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন বিক্ষোভকারী। শোনা যাচ্ছে, তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভের চাপে শেষপর্যন্ত ইস্তফা দিলেন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। দেশে ছেড়ে নাকি দুবাইয়ে পালিয়েছেন তিনি।
এই পরিস্থিতিতে সতর্ক রাজ্য পুলিস। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে শিলিগুড়ির পানিট্যাঙ্কি-সহ নেপাল সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়। যেকোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত স্পেশালাইজড ফোর্স। ক্ষোভ ছিলই। শেষে যখন ফেসবুক, হোওয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, এক্স, ইউটিউবের মতো ২৬ সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্য়াটফর্ম বন্ধ করার কথা ঘোষণা করে নেপাল, তখনই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। ৪ সেপ্টেম্বর থেকে রাস্তায় নামেন মানুষ।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)