)
পিয়ালী মিত্র ও মনোজ মণ্ডল: গভীর রাতে বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল মধ্যমগ্রাম হাইস্কুলের সামনের রাস্তা। মধ্যমগ্রাম স্টেশনসংলগ্ন স্কুল গেটের সামনেই এক ব্যক্তির পাশে থাকা বোমা ফেটে যায়। ওই বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন ওই ব্যক্তি। তাঁকে প্রথম মধ্য়মগ্রাম হাসপাতাল, সেখান থেকে বারাসত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ সকাল সাড়ে আটট নাগাদ তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। নিহত ব্যক্তি উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। নাম শ্রীধর মিশ্র(২৫)।
রাত প্রায় একটা নাগাদ ওই বিস্ফোরণ ঘটে। বিকট শব্দ শুনে জেগে ওঠেন স্থানীয় মানুষজন। ঘটনাস্থলে চলে আসে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিস। চলে আসেন বারাসত পুলিস জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার অতীশ বিশ্বাস।
পুলিস সূত্রে খবর, যে ব্যক্তি বিস্ফোরণে আহত হন তার ব্যাগেই বোমা থাকতে পারে। কী কারণে ওই ব্যক্তি ব্যাগে বোমা নিয়ে যাচ্ছিল তার এখনও স্পষ্ট নয়। বিস্ফোরণস্থলে একটি ব্যাগ পাওয়া গিয়েছে। সেখান থেকে বেশকিছু জামাকাপড় উদ্ধার হয়েছে। যেসব কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে সেখান থেকে বোঝা যাচ্ছে তার বাড়ি উত্তরপ্রদেশে। সাধারণ কোনও বোমা ফাটলে যেসব অবশিষ্টাংশ পাওয়া যায় তা পাওয়া যায়নি। বরং যেসব অবশিষ্টাংশ পাওয়া গিয়েছে তা থেকে ধারনা করা হচ্ছে বিস্ফোরণ হতে পারে কোনও কম তীব্রতার আইইডি থেকে। বিস্ফোরণে ওই ব্যক্তির দুটি হাতই উড়ে যায়। ফলে মনে করা হচ্ছে তার ব্যাগের মধ্যেই বিস্ফোরক থেকে থাকতে পারে। সেটিকে বের করতে যেতেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তাই জিজ্ঞাসবাদের কোনও জায়গা নেই। গোটা বিষয়টই পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অনুমান করা হচ্ছে। এনিয়ে বিস্তারিত তদন্ত করবে ফরেন্সিক টিম। সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখা হবে। খোঁজখবর নিচ্ছে এনআইএ।
ওই বিস্ফোরণ নিয়ে বিডেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, শুধু মধ্যমগ্রাম নয়, পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত গ্রাম-শঙরে যদি পুলিস ঠিক করে তল্লাশি করত তাহলে হাজার হাজার বোমা পাওয়া যেত। একজন বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন, এটা অত্যান্দ দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। কিন্তু বোমা নিয়ে ঘোরাফেরা করলে তা ফাটতেই পারে। পুলিসে কোনও হেলদোল নেই। জিআরপির দায় রয়েছে। সেটি রাজ্যের বাহিনী।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)