শরীরকে সুস্থ রাখতে ঘুম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। না ঘুমোলে নিউরনের মাঝে বিটা- অ্যামাইলয়েড তৈরি হয়। সময়ের সাথে সাথে এটি অ্যালজাইমারের সৃষ্টি করতে পারে।
সারাক্ষণ স্ট্রেস কর্টিসলের ক্ষতি করে। হিপোক্যামপাসের ক্ষতি করে এবং মেটাবলিক সিন্ড্রোমের ঝুঁকি বাড়ায়।
শরীর চর্চা সাস্থ্যকে ঠিক রাখে। বিশেষ করে মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে। শারীরিক কার্যকলাপের অভাবে স্ট্রোকের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
একঘেয়েমি কাটাতে অনেকক্ষণ ধরে আমরা ফোন স্ক্রল করে থাকি। তবে এটি আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষতি করে।
দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হল প্রাতঃরাস। আমাদের মস্তিষ্কের খাবার প্রয়োজন। ইন্টারমিটেন ফাস্ট ছাড়া সকালের খাবার একদমই এড়ানো উচিত নয়।
সিগারেটে নিকোটিনের মতো ক্ষতিকারক কেমিক্যাল থাকে। যা মস্তিষ্কের কগনিটিভ কার্যকলাপে সমস্যা ঘটায়। এই সবের দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহার স্ট্রোক, ডিমেনসিয়া দেখা দিতে পারে।
সমাজের থেকে আলাদা থাকলেও ক্ষতি হতে পারে শরীরের। নিয়মিত সবার সঙ্গে কথা বলা, ডিমেনসিয়া রোগের ঝুঁকি কমায়।
অতিরিক্ত চিনি মস্তিষ্কে ইনসুলিন পৌঁছাতে বাঁধা দেয়। এই কারণে ব্রেন ফেইল হতে পারে।
সূর্যের রোদ আমাদের শরীরকে ভালো রাখে। রোদের ভিটামিন ডি, মস্তিষ্কের সুরক্ষা করে। রোদ থেকে দূরে থাকলে আমাদের শরীরে ভিটামিন ডির ঘাটতি দেখা যেতে পারে। ভিটামিন ডির কম মাত্রার সঙ্গে ডিমেনশিয়ার যোগ থাকতে পারে।