Emmanuel Macron get slapped from wife: স্ত্রীর হাতে চড় খান প্রেসিডেন্টও? ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই ম্যাক্রোঁ বললেন, 'সত্যি সত্যিই...'

French President Emmanuel Macron get slapped from wife: বিয়ের সময় ম্যাক্রোঁর বয়স ছিল ২৯, আর ব্রিজিতের ৫৪। স্কুলে 'টিচার-স্টুডেন্ট' ছিলেন তাঁরা।

সুদেষ্ণা পাল | Updated By: May 27, 2025, 08:17 PM IST
Emmanuel Macron get slapped from wife: স্ত্রীর হাতে চড় খান প্রেসিডেন্টও? ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই ম্যাক্রোঁ বললেন, 'সত্যি সত্যিই...'

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: স্ত্রীর হাতে চড় খেয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (French President Emmanuel Macron)? এক ভাইরাল ভিডিয়ো (Viral Video) ঘিরে তৈরি হয়েছে এমনই জল্পনা। রবিবার সামনে আসে একটি ভিডিয়ো। যেখানে দেখা যায়, বিমান ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অবতরণের পর, প্লেনের দরজা খোলার সময় ব্রিজিত ম্যাক্রোঁ (Brigitte Macron) দু'হাত দিয়ে প্রেসিডেন্ট স্বামী ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মুখ ও চোয়ালের উপর চাপ দেন। যারপরই ম্যাক্রোঁ হালকা ঘুরে তাকিয়ে হাসেন ও ক্যামেরার দিকে হাত নাড়েন।

Add Zee News as a Preferred Source

এরপরই লাল পোশাক পরিহিতা ব্রিজিত ম্যাক্রোঁ স্বামী ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর পাশেই প্লেনের সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসেন। কিন্তু তাঁর বাড়িয়ে দেওয়া হাত ধরেননি। এই ভিডিয়ো সামনে আসতেই এরপর শুরু হয় জল্পনা। চড় নাকি তর্ক? ফরাসি দৈনিকগুলিতে শুরু হয়ে যায় জোর চর্চা। যদিও 'চড়' খাওয়ার দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন ফরসি প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, এটা নিছকই একটি ‘মজার মুহূর্ত’ ছিল। রীতিমতো বিবৃতি জারি করে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর দাবি করেন, এটা তাঁদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নিছকই একটি ‘মজার মুহূর্ত’ ছিল। এখন ডিজিটাল যুগে সামান্য সাধারণ মজাও ভুল ব্যাখ্যা হয়ে অনেক বড় আকার ধারণ করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ম্যাক্রোঁ-ব্রিজিত প্রেমকাহিনী

এমনকি ম্যাক্রোঁ পরে সাংবাদিকদের এও বলেন যে, তাঁরা ২০০৭ সালে বিয়ে করেছেন। যে স্কুলে তাঁদের আলাপ  হয়েছিল, সেখানে তারা 'টিচার-স্টুডেন্ট' ছিলেন। বলাই বাহুল্য যে, শিক্ষিকা ব্রিজিতের প্রেমে পড়েন ম্যাক্রোঁ।  ১৫ বছরের ম্যাক্রোঁ যখন ফ্রান্সের অ্যামিয়ঁ শহরের লা প্রোভিদঁস ক্যাথলিক স্কুলের ছাত্র, তখন তাঁর পরিচয় হয় ৩৯ বছর বয়সী নাট্যশিক্ষিকা ব্রিজিত ত্রনিয়োর সঙ্গে।

ম্যাক্রোঁ-ব্রিজিত ব্যক্তিক্রমী বিয়ে

ব্রিজিত ছিলেন বিবাহিত ও ৩ সন্তানের মা। স্কুল থিয়েটারের সেটেই শুরু হয় তাদের ঘনিষ্ঠতা। ম্যাক্রোঁর সঙ্গে সম্পর্ককে ঘিরে ব্রিজিতকে অনেকটা লড়াই লড়তে হয়। পরিবার, সন্তান নিয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয় ব্রিজিতকে। শেষে ২০০৬ সালে ব্রিজিতের প্রথম পক্ষের স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০০৭-এর ২০ অক্টোবর প্যারিসে ম্যাক্রোঁ-ব্রিজিতের বিয়ের আসর বসে।

বিয়ের সময় ম্যাক্রোঁর বয়স ছিল ২৯, আর ব্রিজিতের ৫৪। অসম বয়সী এই বিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। বয়সের ব্যবধান, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও রাজনৈতিক উচ্চতার মধ্যেও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাক্রোঁ ও তাঁর স্ত্রী ব্রিজিত ম্যাক্রোঁর প্রেম ও বৈবাহিক সম্পর্কের টিকে যাওয়া এক ব্যতিক্রমী ভালোবাসার দৃষ্টান্ত।

আরও পড়ুন, Germany Supports India: 'সম্পূর্ণ অধিকার আছে...' পাক-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অপারেশন সিঁদুরে ভারতের পাশে এবার এই শক্তিধর দেশও...

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)

About the Author

SUDESHNA PAUL

টেলিভিশনে হাতেখড়ি। প্যাশন ডিজিটাল। অনলাইন সাংবাদিকতা মানে শুধু অনলাইনে খবর লেখা নয়, ডিজিটাল মানে ডেটাও! সংখ্যাতত্ত্বের সাংবাদিকতা! ১১ বছর ধরে মিলিয়ে যাচ্ছি সেই লেখা আর ডেটার খেলা। রাজ্য থেকে দেশ, বিশ্ব থেকে বিবিধ- সংবাদ নিয়ে সংখ্যাতত্ত্বের খেলাই আমার ফোকাস।

 

...Read More

.