জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নিউ ইয়র্ক সিটির (New York) মেয়র নির্বাচনের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে বিজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিবিদ জোহরান মামদানির (Zohran Mamdani) ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী এবং হিমাচল প্রদেশের মান্ডির বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। ৩৩ বছর বয়সী ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট জোহরান মামদানি সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমোকে হারিয়ে ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে জয়ী হন এবং নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে ইতিহাস গড়েন।
Add Zee News as a Preferred Source
আরও পড়ুন- Karisma Kapoor's Net Worth: খোরপোশের দরকার নেই! নিজের দমেই আকাশছোঁয়া সম্পত্তির মালিক করিশ্মা...
মামদানি হলেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার ও লেখক মেহমুদ মামদানির পুত্র। কঙ্গনা রানাউত "এক্স"-এ লিখেছেন, “ওর কথা শুনে ভারতীয় কম, পাকিস্তানি বেশি মনে হয়।” তিনি আরও লিখেছেন, “ওর মা মীরা নায়ার, যিনি পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত, ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের গর্ব, নিউ ইয়র্কে বসবাস করেন। তিনি গুজরাটি বংশোদ্ভূত লেখক মেহমুদ মামদানিকে বিয়ে করেন এবং তাঁদের ছেলের নাম জোহরান।”
“হিন্দুধর্ম মুছে ফেলতে চায়” – দাবি কঙ্গনার
কঙ্গনা দাবি করেন, “ওর মধ্যে হিন্দু পরিচয়ের কোনো চিহ্নই নেই... এখন ও হিন্দুধর্ম ধ্বংস করতে প্রস্তুত, বাহ!!” তিনি আরও লেখেন, “সবারই একই গল্প। অন্য প্রসঙ্গে, মীরা জির সঙ্গে কয়েকবার দেখা হয়েছে – বাবা-মাকে অভিনন্দন।”
কঙ্গনার বক্তব্যে কংগ্রেস নেতারও সমর্থন
কংগ্রেস নেতা অভিষেক সিংভিও কঙ্গনার বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “জোহরান মামদানি কথা বললেই পাকিস্তানের পিআর টিম ছুটি নিয়ে নেয়। ভারতের শত্রুর দরকার নেই, যখন এমন ‘মিত্ররা’ নিউ ইয়র্ক থেকে কাল্পনিক গল্প বলছে।”
আরও পড়ুন- Asha Bhosle: 'বিয়ে করে ঠকেছিলাম, মার খাওয়ার অপমানে নিজেকে শেষও করতে চেয়েছি', বিস্ফোরক আশা...
কে এই জোহরান মামদানি?
জোহরান মামদানি উগান্ডায় জন্ম নিয়ে আমেরিকায় বড় হয়েছেন। মীরা নায়ার এবং উগান্ডার লেখক মেহমুদ মামদানির ছেলে তিনি। নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলিতে প্রথম দক্ষিণ এশীয় ও তৃতীয় মুসলিম সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র পদে প্রথম মুসলিম এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিসেবে দৌড়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক প্রচারে প্রগতিশীল নীতিমালা যেমন ভাড়া নিয়ন্ত্রণ, সবার জন্য শিশু যত্ন, বিনামূল্যে গণপরিবহন এবং ধনীদের উপর কর বৃদ্ধি প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়াও, তাঁর প্রচারে সমর্থন দিয়েছেন মার্কিন কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ, সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এবং নিউ ইয়র্ক ওয়ার্কিং ফ্যামিলিজ পার্টি।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)