)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যামপাসে বিধ্বস্ত বিমান দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা এখনও পর্যন্ত ১ জন বলা হলেও সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন দমকালের কর্মকর্তরা। বিমানটি ভেঙে পড়ে ক্যামপাসের একটি স্কুল ভবনের উপরে। দুর্ঘটনার পরপরই অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় পড়ুয়াদের বেরিয়ে আসতে দেখেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এখনওপর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী বিভিন্ন হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে ৩০ জনকে। এদের অধিকাংশই স্কুল পড়ুয়া। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ওই এফ ৭ প্রশিক্ষণ বিমানটি ভেঙে পড়ার পর প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ছোট ছোট পড়ুয়ারা আগুনে পোড়ে দেহ নিয়ে দৌড়ে বের হয়।
ঘটনার পরপরই উদ্ধারকাজে নেমে পড়ে দমকলের ৮টি ইউনিট, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিস ও ব়্যাব। কলেজের এক অধ্যাপক বলেছেন, স্কুলের দোতলা ভবনে ঢোকার মুখে ভবনের উপরে বিমানটি ভেঙে পড়ে। সেইসময় স্কুলের ছুটি হয়ে গিয়েছিল। বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বেরিয়ে পড়েছিল। তবে অনেকেই তখনও বের হতে পারেনি। তারাই ভেতরে আটকে পড়ে। বিশাল আগুনের গোলা ভবনটিকে ঘিরে ধরে।
দুর্ঘটনার পরপরই এক শোকবার্তায় বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, রাজধানীর দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যামপালে আজ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এফ-৭ বিজেআই প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনায় আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। এই দুর্ঘটনায় বিমানসেনা ও মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্যান্যদের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। জাতির জন্য এটি একটি গভীর বেদনার ক্ষণ। আমি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালসহ সকল কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলার নির্দেশ প্রদান করছি। সরকার দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করবে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)