)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফ্রান্সে আগুন (Paris in flames)। বিশ্ব জুড়ে ঘোর অস্থিরতা। নেপাল (Nepal) থেকে ফ্রান্স অস্থির। বিক্ষোভের আগুন, প্রতিবাদে আগুন। ফ্রান্সের চলতি ঘটনাবলি কয়েকটি গুরুতর বিষয়কে তুলে ধরেছে। প্যারিসের মতো বড় শহরে দাঙ্গাকারীদের সঙ্গে পুলিসের সংঘর্ষের (Paris rioters clashed with police) ঘটনাটি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বৃদ্ধির ইঙ্গিতই দেয় প্রকারান্তরে। বিক্ষোভকারীরা প্রায়শই তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে অগ্নিসংযোগ এবং ভাঙচুরের আশ্রয় নেন। যা আসলে বৃহত্তর জনজীবনে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা তৈরি করে। কী চাইছেন বিক্ষোভকারীরা? গ্রাফিত্তি বলছে, তাঁরা ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ (President Emmanuel Macron's resignation) দাবি করছেন।
মসজিদের সামনে শুয়োরের মাথা
মসজিদের সামনে শূকরের মাথা ফেলে রাখার ঘটনাটিকে ধর্মীয় বিদ্বেষ এবং ঘৃণা ছড়ানোর একটি জঘন্য উদাহরণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে সরকার এবং পুলিস প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়। যার ফলে অনেক সময় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। মসজিদের সামনে শূকরের মাথা ফেলে রাখার মতো ঘটনা শুধু মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতেই আঘাত করে না, বরং এটি সমাজের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যেই বিভেদ ও অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি করে দেয়। যা সামগ্রিক ভাবেই খারাপ।
রাজনৈতিক-সামাজিক অস্থিরতা এবং ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা-ঘৃণা
একদিকে, রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা। অন্য দিকে, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ও ঘৃণার বিস্তার। এই দুটি ঘটনা একসঙ্গে একটি বিশেষ ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দেয়। এই ধরনের পরিস্থিতি যেখানে তৈরি হয়, সেখানে কেবল অভ্যন্তরীণ শান্তিই বিঘ্নিত হয় না, এর প্রভাব বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। ফ্রান্সে ঠিক সেটাই হচ্ছে। বিশ্ব জুড়ে চরমপন্থা এবং বর্ণবাদের উত্থান ঘটলে তা বিভিন্ন দেশের মধ্যেকার সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। ফ্রান্সেও সেরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়ে যাচ্ছে।
কেন ঘটছে?
কেন এরকম ঘটছে? ঘটনার মূল কারণগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক বৈষম্য, সামাজিক বঞ্চনা, রাজনৈতিক অসন্তোষের মতো বিষয়গুলি প্রায়শই এই ধরনের দাঙ্গার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একই সঙ্গে, ধর্মীয় উসকানি এবং ঘৃণা ছড়ানোর জন্য কিছু গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটায় বা এই ধরনের পরিস্থিত তৈরি হওয়ার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকে।
সামাল-সামাল
এই রকম পরিস্থিতি তৈরি হলে শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষজনকে এককাট্টা হতে হয়। এই রকম বিক্ষুব্ধ পরিস্থিতি সামলাতে সরকার ও নাগরিক সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। ফ্রান্সেও সেটাই করতে হবে। একমাত্র এটা করলেই সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকেবে।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)