)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভয়াবহ ভূমিকম্প ফিলিপিন্সে। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে মানুষ। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬। আহত প্রায় দেড়শো। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। যুদ্ধকালীন তত্পরতায় কাজ করছে উদ্ধারকারী দল। ভূমিকম্পের জেরে ধসে পড়েছে একাধিক বিল্ডিং, সরকারি ভবন। ফাটল রাস্তাতেও। ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে মধ্য ফিলিপিন্সে আঘাত হানে ৬.৯ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। স্থানীয় সময় রাত ৯টা বেজে ৫০ মিনিটে, সেবুর উত্তর উপকূলে আঘাত হানে ভূমিকম্প। প্রবল কম্পন অনুভূত হয়। ভবন ভেঙে পড়ে। ভূমিধস দেখা দেয়। বিদ্যুত্ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বেশ কয়েকটি শহর অন্ধকারে ডুবে যায়।
মৃত্যু এবং ধ্বংস
ফিলিপিন্সের এনডিআরআরএমসি তাদের সর্বশেষ বুলেটিনে জানিয়েছে, কমপক্ষে ২২টি বাড়ি বা ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সান রেমিজিওতে বাস্কেটবল খেলার সময় একটি ক্রীড়া কেন্দ্রের ছাদ ধসে তিনজন কোস্টগার্ড সদস্য নিহত হয়েছেন। বোগোতে ভূমিধসের নীচে চাপা পড়ে ৯ জন প্রাপ্তবয়স্ক এবং ৪ জন শিশু নিহত হয়েছে। ভূমিকম্পের জেরে বেশ কয়েকটি গ্রামের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে গেছে। যার ফলে সেবু এবং নিকটবর্তী কেন্দ্রীয় দ্বীপপুঞ্জ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তবে সেবু এবং আরও চারটি প্রধান কেন্দ্রীয় দ্বীপে মধ্যরাতের কিছু পর আবার বিদ্যুৎ সংযোগ সম্ভব হয়েছে।
৩৭৯ বার আফটারশক
ভূমিকম্পের পর মোট ৩৭৯ বার আফটারশক কেঁপে উঠেছে ফিলিপিন্স। উদ্ধারকারীরা সতর্ক করে বলেছেন, আরও মানুষ এখনও আটকা পড়ে থাকতে পারে। ধসে পড়া ভবনের নীচে মানুষ থাকতে পারে। আফটারশক ও অন্ধকারের কারণে রাতের উদ্ধার অভিযান বেশ খানিকটা ব্যাহত হয়েছে। ইনস্টিটিউট অফ ভলকানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর ওই অঞ্চলটি ৩৭৯ বার আফটারশকে কেঁপে উঠছে।
সেবুর গভর্নর পামেলা বারিকুয়াত্রো বাসিন্দাদের শান্ত থাকার, ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। আবার ভূমিকম্প হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন। প্রশান্ত মহাসাগরীয় "রিং অফ ফায়ার"-এ অবস্থিত হওয়ায় ফিলিপিন্স দ্বীপপুঞ্জ ভূমিকম্পপ্রবণ বলেই পরচিত।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)