)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইকুয়েডরের জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক এমিলিও সুয়েনোস হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪১ বছর। জানা যায়, এমিলিও জ্বর-সর্দি হয়েছিল। তিনি ভেবেছিলেন সেটি খুবই সাধারণ। এমিলিও শুরুতে ভেবেছিলেন, তাঁর উপসর্গগুলি শুধু ফ্লু- কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থা দ্রুত খারাপ হয়ে যায়। এবং হার্ট অ্যাটাকে তিনি মারা যান।
আরও জানা গিয়েছে, এমিলিও একজন মডেলও ছিলেন। অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরন ব্যবহারের কারণে হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে পড়েন। ডাক্তাররা পরে জানান, একটি ব্যর্থ কসমেটিক সার্জারির পর তিনি যে হরমোন ইনজেকশন নিচ্ছিলেন, সেগুলোর ফলে তাঁর হার্ট অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে গিয়েছিল।
এমিলিওর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইভান্না মেলগার সংবাদমাধ্যমে বলেন, 'হঠাৎ করেই সে কাশতে শুরু করে এবং নিঃশ্বাস নিতে পারছিল না। সে আমাকে অডিয়ো বার্তা পাঠিয়ে বলেছিলেন, এটা ফ্লু নয়, বরং তিনি একেবারেই নিঃশ্বাস নিতে পারছেন না।'
শুরুতে সর্দি-জ্বরের মতো উপসর্গে ভুগছিলেন এমিলিও। যেমন নাক বন্ধ, গলা ব্যথা ও শরীর ব্যথা। আচমকাই শারীরিক অবনতি হতে থাকলে ইকুয়েডরের ঘরোয়া এই পরিচিত টিভি ব্যক্তিত্বকে দ্রুত একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে তাঁকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রাখা হয়। বিস্তারিত পরীক্ষার পর ডাক্তাররা জানান, অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরন ব্যবহারের কারণে তার হৃদযন্ত্রে প্রদাহ হয়েছে।
ইভান্না জানান, 'এমিলিওর অবস্থা আরও জটিল হয়ে ওঠে কারণ তিনি টেস্টোস্টেরনের বাহুতে ইনজেকশন নিতেন, পেছনের অংশে নয়। সেখানে আগে থেকেই বায়োপলিমার ছিল। এত স্টেরোয়েড তাঁর হৃদযন্ত্র সহ্য করতে পারেনি, এমনকি একটি ফুসফুসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।'
পুরুষদের হরমোন (বিশেষ করে টেস্টোস্টেরন) ব্যবহারের ঝুঁকি কী?
টেস্টোস্টেরন হল পুরুষদের প্রধান যৌন হরমোন, যা নিচের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে- হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখা। রক্তে লাল রক্তকণিকার পরিমাণ। উর্বরতা ও যৌন স্বাস্থ্য। পুরুষদের মুখের দাড়ি, গভীর কণ্ঠস্বর এবং পেশির গঠন।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরুষদের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে থাকে। অনেক পুরুষ HRT (Hormone Replacement Therapy) বা হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসা নিয়ে থাকেন, যাতে শরীরের হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। HRT-এর একটি সাধারণ পদ্ধতি হল পেশিতে টেস্টোস্টেরন ইনজেকশন দেওয়া, যাতে ধীরে ধীরে শরীরে হরমোনটি ছড়িয়ে পড়ে।
তবে এর কিছু সম্ভাব্য ঝুঁকি ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে, যেমন: