কাম্বলির মন্তব্যে ঝড়

Update: November 18, 2011 22:28 IST

প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার বিনোদ কাম্বলির বিস্ফোরক মন্তব্য আবার ঝড় তুলেছে ভারতীয় ক্রিকেটে। উনিশো ছিয়ানব্বই-এর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটা হয়েছিল বলে অভিযোগ তুলেছেন কাম্বলি। তাঁর অভিযোগের তির তত্কালিন অধিনায়ক আজহারউদ্দীনের দিকে। কাম্বিলর মতে সেদিন টিম মীটিংয়ে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় দলের অধিনায়ক আজহারুদ্দিন টসে জিতে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন। অধিনয়াকের এই সিদ্ধান্ত তাঁকে চমকে দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন কাম্বলি। সেই সময়ের টিম ম্যানেজার অজিত ওয়াদেকরের দিকেও আঙুল তুলেছেন কাম্বলি। ওয়াদেকর সব ব্যাপারটাই জানতেন বলে দাবি কাম্বিলর। সচিন আউট হওয়ার পর বাকি ক্রিকেটারদের আউট হওয়ার ধরন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তবে কাম্বলির যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন আজহারুদ্দিন। তাঁর মতে কাম্বলি হতাশায় এবং টাকার লোভে বিতর্কিত মন্তব্য করছেন। আজহারের বক্তব্য দলের সবাই মিলে আলোচনা করেই বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।