ইসরো তাদের এই অভিযানের নাম দিয়েছে 'শুক্রযান-১'।
শুক্র গ্রহ সম্বন্ধে মানুষের মনে প্রচুর আগ্রহ, সেই আগ্রহকে আরও উসকে দিতেই এমন অভিযান।
শুক্রকে 'পৃথিবীর যমজ' বলা হয়। মিশনটিতে পৃথিবীর যমজ এই গ্রহের পৃষ্ঠ এবং বায়ুমণ্ডল সম্পর্কে পরীক্ষা করা হবে। এখানে প্রাণের কোনও সম্ভাবনা আছে কিনা, তা-ও খোঁজ করা হবে।
ইসরোর প্রধান এস সোমনাথ বলেছেন, 'শুক্র খুবই আকর্ষণীয় গ্রহ। এখানে বায়ুমণ্ডলও আছে, যা খুবই ঘন। বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পৃথিবীর চেয়ে ১০০ গুণ বেশি। এখানে অ্য়াসিডও আছে। হয়তো পৃথিবীও একদিন শুক্রের মতো হয়ে যেতে পারে, আমরা জানি না।'
এস সোমনাথ আরও বলেন, '১০ হাজার বছর পরে হয়তো পৃথিবীও বদলে যেতে পারে।'
এস সোমনাথ মনে করিয়ে দেন, আসলে পৃথিবী তো কখনও বসবাসের যোগ্য কোনও গ্রহ ছিল না। ধীরে ধীরে তা মানুষের বসবাসের যোগ্য হয়েছে।
শুক্রতে প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে নাসা সংশয় প্রকাশ করেছে। যদিও কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন, শুক্রের বায়ুমণ্ডলে জীবাণুর অস্তিত্ব আছে।
ভারত ছাড়াও নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি, জাপান শুক্রের উপর গবেষণা করছে।