একটুর জন্য miss

Feb 22, 2013, 09:26 PM IST
দ্য গ্রেট ডিক্টেটর, (১৯৪০)বাণিজ্যের নিরিখে চার্লস স্পেনসর চ্যাপলিনের সব থেকে সফল ছবি। ছবিটি যখন মুক্তি পায় তখনও জার্মানির সঙ্গে আমেরিকার কূটনৈতিক সম্পর্কে শান্তি বজায় ছিল। সিনেমাটিতে অ্যাডলফ হিটলার, বেনিতো মুসোলিনির ফ্যাসিস্ত ধারনা এবং `যন্ত্র-হৃদয়`, `যন্ত্র-মস্তিস্কের` `যন্ত্র মানব সম্প্রদায়` নাৎসিদের নিয়ে তীব্র ব্যাঙ্গ দু`দেশের সম্পর্কের মধ্যে প্রভাব ফেলে বলে মনে করা হয়। সেই বছর অস্কার পায় অ্যালফ্রেড হিচককের রেবেকা। চলচ্চিত্র ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকে `কাব্যে উপেক্ষিত` দ্য গ্রেট ডিক্টেটর।
1/10

দ্য গ্রেট ডিক্টেটর, (১৯৪০)
বাণিজ্যের নিরিখে চার্লস স্পেনসর চ্যাপলিনের সব থেকে সফল ছবি। ছবিটি যখন মুক্তি পায় তখনও জার্মানির সঙ্গে আমেরিকার কূটনৈতিক সম্পর্কে শান্তি বজায় ছিল। সিনেমাটিতে অ্যাডলফ হিটলার, বেনিতো মুসোলিনির ফ্যাসিস্ত ধারনা এবং `যন্ত্র-হৃদয়`, `যন্ত্র-মস্তিস্কের` `যন্ত্র মানব সম্প্রদায়` নাৎসিদের নিয়ে তীব্র ব্যাঙ্গ দু`দেশের সম্পর্কের মধ্যে প্রভাব ফেলে বলে মনে করা হয়। সেই বছর অস্কার পায় অ্যালফ্রেড হিচককের রেবেকা। চলচ্চিত্র ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকে `কাব্যে উপেক্ষিত` দ্য গ্রেট ডিক্টেটর।

টু কিল আ মকিং বার্ড, (১৯৬২)টাইম টু কিল-এ বিচার পেয়েছিলেন কৃষ্ণাঙ্গ কার্ল লি হ্যালি। আইনি লড়াইয়ে জিতেছিলেন জেক ব্রিজেন্স। তবে তিরিশ বছর আগের বাস্তব এতটা সহজ ছিল না। হেরে গিয়েছিলেন অ্যাটিকাস ফিনচ। বিচার পাননি টম রবিনসন। তবে গল্পে হার মানলেও দর্শকদের হৃদয় অবিনশ্বর জায়গা পায় অ্যাটিকাস ফিনচের চরিত্রটি। সেই কারণেই সিলভার স্ক্রিন থেকে নেমে এসে টু কিল আ মকিং বার্ড-এর প্রাসঙ্গিকতা ছুঁয়ে গিয়েছিল আমেরিকার সমাজ জীবনকেও। গ্রেগরি পেক সেরা অভিনেতার সম্মান পেলেও অস্কার জেতেনি টু কিল আ মকিং বার্ড। প্রসঙ্গত, অপর অভিনেতা রবার্ট ডুভালের বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ ঘটে এই ছবির হাত ধরে।
2/10

টু কিল আ মকিং বার্ড, (১৯৬২)
টাইম টু কিল-এ বিচার পেয়েছিলেন কৃষ্ণাঙ্গ কার্ল লি হ্যালি। আইনি লড়াইয়ে জিতেছিলেন জেক ব্রিজেন্স। তবে তিরিশ বছর আগের বাস্তব এতটা সহজ ছিল না। হেরে গিয়েছিলেন অ্যাটিকাস ফিনচ। বিচার পাননি টম রবিনসন। তবে গল্পে হার মানলেও দর্শকদের হৃদয় অবিনশ্বর জায়গা পায় অ্যাটিকাস ফিনচের চরিত্রটি। সেই কারণেই সিলভার স্ক্রিন থেকে নেমে এসে টু কিল আ মকিং বার্ড-এর প্রাসঙ্গিকতা ছুঁয়ে গিয়েছিল আমেরিকার সমাজ জীবনকেও। গ্রেগরি পেক সেরা অভিনেতার সম্মান পেলেও অস্কার জেতেনি টু কিল আ মকিং বার্ড। প্রসঙ্গত, অপর অভিনেতা রবার্ট ডুভালের বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ ঘটে এই ছবির হাত ধরে।

আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ, (১৯৭১)সারা জীবনে ১৬টি সিনেমা বানিয়েছেন স্ট্যানলি ক্যুব্রিক। একটিও অস্কার পায়নি। প্রতিটি ছবিই চলচ্চিত্র ইতিহাসে কোনও না কোনও সময় গবেষণার বিষয় হয়েছে। খুন, ধর্ষণ এবং বিটোভেন নিয়ে মাতাল এক সাইকোপ্যাথ আলেক্সের গল্প ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ। সেরা ছবি, পরিচালক এবং স্ক্রিনপ্লের জন্য নমিনেশন পেলেও দ্য ফ্রেঞ্চ কানেকশন বাজিমাত করে ১৯৭২-এর অস্কার মঞ্চে।
3/10

আ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ, (১৯৭১)
সারা জীবনে ১৬টি সিনেমা বানিয়েছেন স্ট্যানলি ক্যুব্রিক। একটিও অস্কার পায়নি। প্রতিটি ছবিই চলচ্চিত্র ইতিহাসে কোনও না কোনও সময় গবেষণার বিষয় হয়েছে। খুন, ধর্ষণ এবং বিটোভেন নিয়ে মাতাল এক সাইকোপ্যাথ আলেক্সের গল্প ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ। সেরা ছবি, পরিচালক এবং স্ক্রিনপ্লের জন্য নমিনেশন পেলেও দ্য ফ্রেঞ্চ কানেকশন বাজিমাত করে ১৯৭২-এর অস্কার মঞ্চে।

ট্যাক্সি ড্রাইভার, (১৯৭৬)রবার্ট ডি নিরো-মার্টিন স্করসেজি যুগলবন্দি একটি ক্লাসিক। অস্কার পায়নি। ক্লাসিক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে গিয়েছে।
4/10

ট্যাক্সি ড্রাইভার, (১৯৭৬)
রবার্ট ডি নিরো-মার্টিন স্করসেজি যুগলবন্দি একটি ক্লাসিক। অস্কার পায়নি। ক্লাসিক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে গিয়েছে।

দ্য শশান্‌ক রেডেম্পশন, (১৯৯৪)বক্স অফিসে ধুন্দুমার হিট নয়। অতি কষ্টে প্রোডাকশন খরচ উঠেছিল প্রযোজকদের পকেটে। অস্কারেও ভাগ্য প্রসন্ন হয়নি। তা সত্ত্বেও চলচ্চিত্র সমালোচকদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা কুড়োয় এই ছবি। তবে শুধু শশান্‌ক রেডেম্পশন নয়, সে বছর ফরেস্ট গাম্পের কাছে হার মানে ফোর ওয়েডিং অ্যান্ড ফিউনারল, পাল্প ফিকশনের মতো ছবিও।
5/10

দ্য শশান্‌ক রেডেম্পশন, (১৯৯৪)
বক্স অফিসে ধুন্দুমার হিট নয়। অতি কষ্টে প্রোডাকশন খরচ উঠেছিল প্রযোজকদের পকেটে। অস্কারেও ভাগ্য প্রসন্ন হয়নি। তা সত্ত্বেও চলচ্চিত্র সমালোচকদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা কুড়োয় এই ছবি। তবে শুধু শশান্‌ক রেডেম্পশন নয়, সে বছর ফরেস্ট গাম্পের কাছে হার মানে ফোর ওয়েডিং অ্যান্ড ফিউনারল, পাল্প ফিকশনের মতো ছবিও।

শকোলা (Chocolat), (২০০০)চকোলেটের অমোঘ হাতছানি বনাম লেন্টের সংযমের দোটানায় ছায়া সুনিবিড় ফরাসি গ্রাম। মাঝে পসরা সাজিয়ে দমকা হাওয়ার মতো বানজারা রু-এর আগমন। ভ্যান গগের স্টারি নাইটের মতো অপূর্ব সিনেমা। অস্কার দৌড়ে গ্ল্যাডিয়েটরের শৌর্যের কাছে হার মানতে বাধ্য হয়।
6/10

শকোলা (Chocolat), (২০০০)
চকোলেটের অমোঘ হাতছানি বনাম লেন্টের সংযমের দোটানায় ছায়া সুনিবিড় ফরাসি গ্রাম। মাঝে পসরা সাজিয়ে দমকা হাওয়ার মতো বানজারা রু-এর আগমন। ভ্যান গগের স্টারি নাইটের মতো অপূর্ব সিনেমা। অস্কার দৌড়ে গ্ল্যাডিয়েটরের শৌর্যের কাছে হার মানতে বাধ্য হয়।

গ্যাংস অফ নিউ ইয়র্ক, (২০০২)২০০২-এর এই ছবিটি রিচার্ড গেয়র, ক্যাথরিন জেটা জোনস অব্বহিনীত শিকাগোর কাছে হার মানে। তবে মার্টিন স্করসেজির অমর সৃষ্টি হিসেবে দর্শক মনে জায়গা করে নেয়।
7/10

গ্যাংস অফ নিউ ইয়র্ক, (২০০২)
২০০২-এর এই ছবিটি রিচার্ড গেয়র, ক্যাথরিন জেটা জোনস অব্বহিনীত শিকাগোর কাছে হার মানে। তবে মার্টিন স্করসেজির অমর সৃষ্টি হিসেবে দর্শক মনে জায়গা করে নেয়।

ব্রোকব্যাক মাউনটেন, (২০০৫)পরিচালনায় সেরা হলেও শেষ পর্যন্ত ক্র্যাশ এর কাছে হার স্বীকার করে ব্রোকব্যাক মাউনটেন। ২০০৫-এ ৮টি নমিনেশন পেয়ে সেরা ছবির ফ্রন্ট রানার ছিল বিএম। পরিচালক অ্যাং লি সহ তিনটি অস্কার জিতলেও সেরা ছবির বাজমাত হয়নি। তবে রোম্যান্টিক ছবির বাজারদরে আজও সেরা একাদশে টেক্সাসের কনজারভেটিভদের রুক্ষ মাটিতে সমকামী প্রেমের সাগাটি।
8/10

ব্রোকব্যাক মাউনটেন, (২০০৫)
পরিচালনায় সেরা হলেও শেষ পর্যন্ত ক্র্যাশ এর কাছে হার স্বীকার করে ব্রোকব্যাক মাউনটেন। ২০০৫-এ ৮টি নমিনেশন পেয়ে সেরা ছবির ফ্রন্ট রানার ছিল বিএম। পরিচালক অ্যাং লি সহ তিনটি অস্কার জিতলেও সেরা ছবির বাজমাত হয়নি। তবে রোম্যান্টিক ছবির বাজারদরে আজও সেরা একাদশে টেক্সাসের কনজারভেটিভদের রুক্ষ মাটিতে সমকামী প্রেমের সাগাটি।

ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস, (২০০৯)এর আগে একটুর জন্য হাতছাড়া হয়েছিল পাল্প ফিকশনও। বিকল্প ইতিহাস নিয়ে তৈরি  ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডসও ২০১০-এর অস্কার মঞ্চে হার মানে ক্যাথেরিন বিগেলোর হার্ট লকারের কাছে।
9/10

ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস, (২০০৯)
এর আগে একটুর জন্য হাতছাড়া হয়েছিল পাল্প ফিকশনও। বিকল্প ইতিহাস নিয়ে তৈরি ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডসও ২০১০-এর অস্কার মঞ্চে হার মানে ক্যাথেরিন বিগেলোর হার্ট লকারের কাছে।

ব্ল্যাক সোয়ান, (২০১০)ইতিহাস বলছে সাইকোলজিকাল থ্রিলার অস্কারে বিশেষ সাড়া জাগায়নি। অনবদ্য অভিনয়ের জন্য নাটালি পোর্টম্যান সেরার শিরোপা পেলেও ব্রিটিশ ছবি দ্য কিংস স্পিচ জিতে নেয় সেই বছরের অস্কার।
10/10

ব্ল্যাক সোয়ান, (২০১০)
ইতিহাস বলছে
সাইকোলজিকাল থ্রিলার অস্কারে বিশেষ সাড়া জাগায়নি। অনবদ্য অভিনয়ের জন্য নাটালি পোর্টম্যান সেরার শিরোপা পেলেও ব্রিটিশ ছবি দ্য কিংস স্পিচ জিতে নেয় সেই বছরের অস্কার।