ওয়েব ডেস্ক: ঘরেতে এলো না সে তো, মনে তার নিত্য আসা যাওয়া, তার পরনে ঢাকাই শাড়ি, কপালে সিঁদুর...


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

প্রতীক্ষার কোনও শেষ নেই। প্রতীক্ষা প্রেয়সীর, প্রতীক্ষা মুক্তির। প্রতীক্ষা ঘরে ফেরার। প্রতীক্ষা এক ঘরের মানুষ ঘরে ফেরার। প্রতীক্ষা জীবন থেকে আরেক জীবনে পাড়ি দেওয়ার। জীবন মানেই কান্না-হাসির দোল দোলানো পৌষ ফাগুনের মেলা।


জীবনের এই সাদা-কালো দিককেই এবার শিল্পী সনাতন দিন্দা জীবন্ত করে তুলেছেন চেতলা অগ্রনীর পুজোয়। বড় বড় ড্রাম দিয়েই তৈরি হয়েছে মঞ্চ। তার ওপরে পড়েছে লাল, কালো রঙের প্রলেপ। মাঝখানে চোখের আকৃতি। সেই চোখের মধ্যেই দেবীর অধিষ্ঠান।  


আসলে আমরা কিছুই গড়ি না। সৃষ্টিকর্তা  যা গড়েছেন তারই রূপ বদল করে মানুষ। শিল্পীর দাবি, বিনির্মান নয়, ঘর গেরস্থালির চেনা পরিচিত সামগ্রীই তার সৃষ্টিভাবনায় নতুন রূপ পাবে মন্ডপে। থাকছে চামচ, বেলচার ম্যাজিক। চেতলা অগ্রনীর এই আনন্দ যজ্ঞে থাকছে সবার নিমন্ত্রণ। অন্ধকারে উত্‍স হতে উত্‍সারিত আলোর খোঁজ মিলবে মনমোহিনী এই পুজোয়।