নিজস্ব প্রতিবেদন: জাগুয়ার দুর্ঘটনায় নাটকীয় মোড়। আরসালান পারভেজ নয়, দুর্ঘটনার রাতে গাড়ি চালাচ্ছিল দাদা রাগিব। বেনিয়াপুকুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। ঘটনার পর দুবাই পালিয়েছিলেন অভিযুক্ত। 


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

শুক্রবার গভীর রাতে মার্সিডিজ বেঞ্জকে ধাক্কা মারে তীব্র গতিতে ধেয়ে আসা একটি জাগুয়ার গাড়ি। বেলাগাম গতির জেরে মৃত্যু হয় দুই বাংলাদেশির। ঘটনার তদন্তে শহরের নামজাদা রেস্তরাঁর মালিকের ছেলে আরসালান পারভেজকে গ্রেফতার করে পুলিস। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৭৯ ধাকা (বেপরোয়া গাড়ি চালানো), ৪২৭ ধারা (সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি) ও অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু তদন্ত এগোতেই পুলিস জানতে পারে, ওই দিন রাতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন আরসালানের দাদা রাগিব পারভেজ। ঘটনার পরই রাগিব দুবাই পালিয়ে যান। পুলিশের দাবি, এয়ারব্যাগ খুললে চালকের মুখে সিলিকন-সহ একাধিক চিহ্ন মেলে শরীরে। সেগুলি আরসালান পারভেজের শরীরে পাওয়া যায়নি। 



পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে দাদাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন আরসালান পারভেজ। কিন্তু পরে তিনি জানান, দুর্ঘটনার রাতে গাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতেই ছিলেন।  ততক্ষণে পুলিশ রাগিবের ছবি সংগ্রহ করে ফেলেছে।  ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ও অভিযুক্তের হোয়াটসঅ্যাপে দেওয়া ছবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। সংগ্রহ করা হয় রাগিবের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ। দেখা যায়, রাত ১১.১০ নাগাদ গাড়ির স্টিয়ারিং ছিল রাগিবের হাতে।


তাহলে কেন আরসালান আত্মসমর্পণ করল? পুলিশকে পরিবার জানায়, রাগিব পালিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর খোঁজ নেই। বাড়িতে পুলিস আসার খবর পেয়ে ছোট ছেলেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।      


আরসালান পারভেজ ধরা পড়ার পর দেশে ফিরে আসেন রাগিব। তাঁকে বেনিয়াপুকুর থেকে গ্রেফতার করে পুলিস। রাগিবকে পালাতে সাহায্য করেছিলেন তাঁর মামা মহম্মদ হামজা। তাঁকেও পাকড়াও করেছে পুলিস।


আরও পড়ুন- পড়ন্ত বিকালে দিঘার সৈকতের ধারে দোকানে ঢুকে চা বানিয়ে খেলেন মুখ্যমন্ত্রী!