নিজস্ব প্রতিবেদন: নিউটান খুনে ফের নয়া মোড়। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, ফেসবুকেই ওই মহিলার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল অভিযুক্ত যুবকের। এরপরই তাঁকে চাকরি দেওয়ার নাম করে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। মৃতার পরিবার আরও জানিয়েছে যে, এ বিষয়ে দাদার সঙ্গেও কথা বলেছিলেন ওই যুবক। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৭:৩০ টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয় ওই দুইজন। এরপর দুপুর ১টা নাগাদ এক মহিলা এক ব্যক্তির সঙ্গে হোটেলে আসে।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন: 'তোকে আমি মারতে চাইনি, বাধ্য হলাম' Newtown হোটেল থেকে উদ্ধার চিরকুটে বাড়ছে রহস্য


যদিও ঠিক কী কারণে খুন তা এখনও জানা যায়নি। একজন সদ্য পরিচিতর সঙ্গে ওই মহিলা কেনই বা এতদূরে এলেন তাও এখনও স্পষ্ট নয়। দেহ পরীক্ষার পর ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মৃত চুমকি ঘোষের গলায় চার্জারের তার পেচানো ছিল। 


নিউটাউন খুনে ক্রমশ ঘণীভূত হয়েছে রহস্য। মঙ্গলবার Newtown-এর হোটেলের একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছিল এক মহিলার রক্তাক্ত দেহ। তদন্তে নেমে ওই ঘর থেকেই একটি চিরকুট উদ্ধার করে পুলিস। কার্যত নাটকীয় কায়দাতেই সেখানে লেখা "তোকে আমি মারতে চাইনি, মারতে বাধ্য় হলাম।" 


আরও পড়ুন:  হোটেলের ঘরে ভাঙা মদের বোতল দিয়ে কুপিয়ে খুন, উদ্ধার মহিলার রক্তাক্ত নগ্ন দেহ


তদন্তে জানা গিয়েছে, গতকাল এক যুবকের সঙ্গে নিউটাউনের এই হোটেলে এসেছিলেন মহিলা। এরপরই খুন করে ঘর থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্ত যুবক। ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে ভাঙা মদের বোতল। হোটেল কর্মীদের বয়ান অনুযায়ী, খুনের সময় কোনও চিৎকার শোনা যায়নি। ঘরে জোরে টিভি চলছিল। তদন্ত জোরদার করেছে টেকনোসিটি থানার পুলিস। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হাড়হিম করা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। খুনের মোটিভ খুঁজতে তৎপর পুলিস।