অর্ণবাংশু নিয়োগী: হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে অবশেষে কাটল অচলাবস্থা। '২০১৪ ও ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষার্থীদের নম্বর প্রকাশ করবে পর্ষদ', জানালেন মামলাকারীদের আইনজীবী বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায়। কীভাবে? বৃহস্পতিবার আদালতে তা জানানো হতে পারে।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

শূন্য়পদের সংখ্যা এগারো হাজারেরও বেশি। রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পর্ষদ। অনলাইনে যখন আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে, তখন হাইকোর্টে মামলা করেছেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। কেন? পর্ষদের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি জানানো হয়েছে, ২০১৪ ও ২০১৭ সালে যাঁরা টেট পাস করেছেন এবং যাঁদের বয়স চল্লিশের নিচে, তাঁরা প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন। মামলাকারীদের দাবি, ২০১৪ ও ২০১৭ সালে টেট পরীক্ষা দিয়েছিলেন তাঁরা। পাস করেছেন দু'বারই। যে বছর টেটে বেশি নম্বর পেয়েছেন, সে বছরের শংসাপত্রই জমা দিতে চান। কিন্তু  এখনও টেটের নম্বর জানায়নি পর্ষদ।


আরও পড়ুন: 'আন্দোলন করলেই চাকরি নয়, নিয়ম মেনেই হবে নিয়োগ, বার্তা ব্রাত্যর


এদিন মামলাটির শুনানি হয় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চে। হাইকোর্ট জানতে চায়, 'টেটের নম্বর প্রকাশ নিয়ে কী ভাবছে পর্ষদ'? বিচারপতি ইচ্ছা প্রকাশ করেন, 'আজ, মঙ্গলবারই মামলাকারীদের আইনজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করুন পর্ষদ সভাপতি'। এরপর করুণাময়ীতে পর্ষদের অফিসে যান মামলাকারীদের আইনজীবী বিক্রম বন্দ্যোপাধ্য়ায়। পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি জানান, 'পর্ষদ বলছে, আমরা চেষ্টা করছি, যাতে যত দ্রুত সম্ভব, টেটের নম্বরটা জানিয়ে দেওয়া যায়'। শংসাপত্র অবশ্য এখনই পাবেন না চাকরিপ্রার্থীরা।


এর আগে, চাকরির দাবিতে সল্টলেক করুণাময়ীতে অনশনে বসেছিলেন ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্থরা। পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল অবশ্য স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, '২০১৬ সালের নীতি মেনেই নিয়োগ হবে। যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা দু'বার ইন্টারভিউ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন। আইন ভেঙে নিয়োগ  সম্ভব নয়'। শেষপর্যন্ত করুণাময়ীতে থেকে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দেয় পুলিস। এখন ধর্মতলায় গান্ধীমূর্তি পাদদেশে ধরনা দিচ্ছেন তাঁরা। 


(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)