ওয়েব ডেস্ক : বাদুড়িয়া-মসলন্দপুর-বেহালা-কলেজ স্ট্রিট--হুগলি। শিশু পাচারের জাল যে কতদূর ছড়িয়েছে, তার এখনও হদিশ পাননি তদন্তকারীরা। নজরে আরও কয়েকটি নার্সিংহোম ও ১৫ জন চিকিত্‍সক। পাচার হওয়া শিশুদের কোথায় পাঠানো হয়েছে, খোঁজখবর শুরু হয়েছে তা নিয়েও। শেষ পর্যন্ত নড়েচড়ে বসে পাচারকাণ্ডে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিকর্তা। বাদুড়িয়া শিশু পাচার চক্র। জাল যে অনেকদূর ছড়িয়েছে আগেই আন্দাজ করেছিলেন গোয়েন্দারা। প্রমাণ মিলছে হাতে নাতে।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

বুধবার শহরের দুই প্রান্তে দুই নার্সিংহোমে হানা দেয় CID। গ্রেফতার করা হয় বড়দি ও  শ্রীকৃষ্ণ নার্সিংহোমের মালিক পার্থ চ্যটার্জিকে। কিন্তু, গোয়েন্দারা বলছেন, শুধু এই দুই হাসপাতাল নয়।  খাস কলকাতার বুকে আরও কয়েকটি হাসপাতালেও চলত শিশু পাচারের কারবার। খাস কলকাতার বুকে আরও ২টি নার্সিংহোমে চলত শিশু পাচারের রমরমা কারবার উত্তর ২৪ পরগনার আরও ২টি হাসপাতাল সিআইডির নজরে হুগলির একটি নার্সিংহোমের দিকেও নজর রাখছে সিআইডি।


নার্সিংহোম মালিকদের সঙ্গে শিশু পাচারে  চক্রে নাম জড়িয়েছে চিকিত্সকদেরও। ইতিমধ্যেই, গাইঘাটার স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ তপন বিশ্বাসের খোঁজে তল্লাসি চালাচ্ছে সিআইডি। পাশাপাশি, গোয়েন্দাদের নজরে রয়েছেন আরও ১২-১৫জন চিকিত্সক। শিশু পাচারের নেটওয়ার্কের সঙ্গে ১২-১৫জন চিকিত্সক জড়িত। এঁদের  মধ্যে অনেকেই সরকারি হাসপাতালে কাজ করেছেন। অনেকেই নিজের নার্সিংহোমও খুলে বসেছেন। সন্দেহভাজন চিকিত্‍সকদের খোঁজে তল্লাসি চালাচ্ছে CID।


এখনও পর্যন্ত পাচার হয়ে যাওয়া শিশুদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। গোয়েন্দাদের ধারণা, বেশকয়েকটি বাচ্ছা সন্তানহীন দম্পতিদের  কাছেই গেছে। তবে, চেন্নাইয়ের ভিখারি চক্রের দালালদের হাতে শিশু বিক্রি হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে সিআইডি। শেষপর্যন্ত নড়চড়ে বসেছে স্বাস্থ্য দফতরও। শিশু পাচারের পৃথক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা বিশ্বরঞ্জন শতপথী।স্বাস্থ্য দফতরের অনুমোদন, পুনর্নবীকরণ নিয়ে তদন্ত করবে স্বাস্থ্য দফতর। ২৪ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট স্বাস্থ্য দফতরে জমা দিতে হবে।