সুতপা সেন: কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া ভোট করানো দুস্কর। এমনটাই দাবি তুলেছে বিরোধীরা। এদিকে, কমিশন ২২ কোম্পানি বাহিনী চাওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রশ্ন ওঠে বাইশ জেলায় ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করানো হাস্যকর। এর মধ্যেই পর্যাপ্ত বাহিনী দিয়ে ভোট করানোর কথা বলে আদালত। এনিয়ে আরও বাহিনী দেওয়ার কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে ৩১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী জেলায় পাঠানো হবে। যত দ্রুত সম্ভব ওই বাহিনী পাঠানো হবে। কোথায় কোন বাহিনী পাঠানো হবে তাও ঠিক করবে কেন্দ্র। এমনটাই চিঠিতে জানানো হয়েছে।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন-মাথার দাম ১.২৫ লাখ, এনকাউন্টারে খতম ডাকাতি-খুনের কুখ্যাত দুষ্কৃতী


বাহিনী পাঠানো নিয়ে যে জট তৈরি হয়েছিল তা কাটল বলা যেতে পারে। তবে তা ওই ৩১৫ কোম্পানি বাহিনীর ক্ষেত্রে। কারণ গতকালই কমিশন জানিয়ে দিয়েছিল কোন বাহিনী কোথায় যাবে তা বলার কথা নয় কমিশনের। সেটা ঠিক করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কমিশন শুধুমাত্র জানিয়ে দেবে কোথায় কত বাহিনী পাঠাতে হবে। কিন্তু বাকী যে ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী তা নিয়ে কিছু বলেনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। 


কমিশন সূত্রে খবর, আলিপুরদুয়ারের জন্য ৬ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ২৪ কোম্পানি, বীরভূমে ১৯ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪ কোম্পানি, কোচবিহারের ১৪ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬ কোম্পানি, দার্জিলিংয়ে ৫ কোম্পানি, হুগলি ১২ কোম্পানি, হাওড়ায় ১০ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে।


বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, বাহিনী নিয়ে জটিলতা থাকল কী থাকল না তা নিয়ে মানুষ চিন্তিত নয়। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্য সরকার তার কাজ শুরু করেছে। ওদের লক্ষ্যই হল লুঠ করা। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোট করা। এর জন্যই রাজ্য কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইছিল না। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বাকী ৪৯৫ কোম্পানি বাহিনী যদি কেন্দ্র দিয়েও দেয় তাহলে তা কি দ্রুত মোতায়েন সম্ভব? এক দফায় ভোট সম্ভব? একদিনে ভোট করিয়ে মানুষকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ক্ষমতা এই নির্বাচন কমিশনের আছে? এগারো দিনে ৯ জন খুন হয়ে গেল। এই হচ্ছে এই রাজ্যের পরিস্থিতি। 


অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র শান্তনু সেন বলেন, মানুষের কাছে হেরে গিয়েছেন, প্রত্যাখাত হয়েছেন এঁরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কথা বলা হচ্ছে। বিরোধী শিবির থেকে দেড় লক্ষ মনোনয়ন জমা পড়েছে আর বিজেপি মনোনয়ন জমা দিতে পারল না!নন্দীগ্রামে ৬৫টি জেলায় প্রার্থী দিতে পারেননি শুভেন্দু। কেন? এর আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল। বিজেপি নেতারা ঢালাও প্রচার করেছিলেন, আব কি বার দোশো পার। উল্টে বিজেপিকেই মানুষ পগার পার করে দিয়েছিল। আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাতন কি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে হয়নি! সেখানেও তো তৃণমূল জিতেছিল। সুতারাং বাস্তবটা ওরা জানে যে মানুষ ওদের প্রত্যাখান করেছে। এখন ওরা নানা ককম অজুহাত তৈরি  করছে কারণ ওরা জানে ১১ জুলাই ওদের মুখ লুকোবার জায়গা থাকবে না।


(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)