জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মাটির ১০ কিলোমিটার গভীরে লাদাখে সকাল ৯টা ৩০ নাগাদ অনুভূত হল ভূকম্প। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এই খবর দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ৪.৩ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূকম্পের এপিসেন্টারটি ছিল কার্গিল থেকে ১৫১ কিলোমিটার ভিতরে। ক্ষয়ক্ষতি তেমন ঘটেনি। হতাহতও নেই বলে জানা গিয়েছে। এই মাসেরই প্রথম দিকে জম্মু কাশ্মীরে খুবই কম মাত্রার একটা কম্পন অনুভূত হয়েছিল। এর মাত্রা ছিল ৩.৫। সেবারও তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। ভূমিকম্পটি হয়েছিল কাটরা ও সন্নিহিত অঞ্চলে। সেখানে ত্রিকূট পাহাড়ে বৈষ্ণোদেবীর মন্দির রয়েছে। তবে কাশ্মীর অঞ্চলে পর পর একাধিক আফটারশকক হয়েছিল। পুরো অঞ্চল জুড়ে প্রায় ১৩ বার কম্পন অনুভূত হয়েছিল।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন: Varanasi: মুকুটে নতুন পালক! জেনে নিন বারাণসী কেন এত বিশিষ্ট...


প্রসঙ্গত, একদিন আগেই ভয়ংকর কম্পনে বিপর্যস্ত হয়েছে তাইওয়ান। রিখটার স্কেলে ৬.৫ মাত্রার এই ভূমিকম্প তীব্র আঘাত করেছিল তাইওয়ানের মাটিতে। প্রায় ৫০টি আফটারশক এসে আরও বিপর্যয় ডেকে এনেছিল তাইওয়ানে। মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে কম্পনের পরেই তাইওয়ানে সুনামির সতর্কতাও জারি করা হয়েছিল। তারা জানিয়েছিল, তাইওয়ানের উপকূল বরাবর ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের ৩০০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বিপজ্জনক সুনামির ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পটি দুপুর ২টো ৪৪ মিনিট নাগাদ তাইতুং থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার উত্তরে ঘটেছে। এর কেন্দ্র মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। তাইওয়ান, বরাবরই ভূমিকম্পপ্রবণ। দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছেই এই দ্বীপরাষ্ট্রটি অবস্থিত। প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল 'রিং অফ ফায়ার' নামক এই দেশটি অবস্থিত। এই অবস্থানের কারণেই এদেশে ঘন ঘন ভূমিকম্প হয়। ১৯৯৯ সালে শেষবার তাইওয়ান অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্পের সাক্ষী থেকেছিল। সেবার ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৬। ২০০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ২০১৬ সালেও দক্ষিণ তাইওয়ানে এক ভূমিকম্পে ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন।


(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)