ওয়েব ডেস্ক : বিদেশি যৌনকর্মীর হানিট্র্যাপে পা দিয়ে কি সত্যিই দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গোপন তথ্য ফাঁস করেছেন বরুণ গান্ধী? প্রশান্ত ভূষণ আর যোগেন্দ্র যাদব বোমা ফাটানোর পর থেকে সরগরম জাতীয় রাজনীতি। আশির দশকে বফর্স কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছিল রাজীব গান্ধীর। অস্ত্র কেনাবেচা দুর্নীতিতে এবার নাম জড়িয়েছে মেনকা গান্ধীর পুত্র বরুণ গান্ধীর।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

উত্তরপ্রদেশ নির্বাচনের মুখে বরুণের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠায় বিব্রত বিজেপি। কারণ বরুণ সুলতানপুরের বিজেপি সাংসদ। স্বরাজ অভিযান দলের দুই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রশান্ত ভূষণ ও যোগেন্দ্র যাদব গতকাল দিল্লি প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে তাঁরা বলেন, বিদেশি যৌনকর্মীর ফাঁদে পা দিয়ে বরুণ গান্ধী প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গোপন তথ্য অস্ত্র বিক্রি সংস্থার দালাল অভিষেক বর্মাকে পাচার করেছেন। এপ্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রশান্ত আর যোগেন্দ্র নিউ ইয়র্কের আইনজীবী এডমন্ড অ্যালেনের লেখা একটি চিঠিকে হাতিয়ার করেছেন।


প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো ওই চিঠিতে অ্যালেন লিখেছেন, অভিষেক ২০০০ সাল থেকে বরুণকে চেনেন। বিভিন্ন সময়ে বরুণের সঙ্গে বিদেশি যৌনকর্মীদের পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। সেই সূত্রে বরুণকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করেন অভিষেক। সেই চাপেই প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গোপন চুক্তি ফাঁস করেছেন বরুণ।


UPA আমলে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সংসদীয় পরামর্শদাতা কমিটিতে ছিলেন বরুণ। তাঁর বন্ধু অভিষেক বর্মা যে সংস্থায় কাজ করেন, তাদের মাধ্যমেই স্করপেন ডুবোজাহাজ কেনা হয়েছিল। সেই স্করপেন তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ায় মোদী সরকারকে বিস্তর ভুগতে হয়েছে। রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তিতেও অভিষেকের সংস্থা জড়িত। যদিও মানেকাপুত্র প্রতিরক্ষা তথ্য ফাঁসের অভিযোগ মানতে চাননি। বিষয়টি নিয়ে মামলার হুমকি দিয়েছেন তিনি।