নিজস্ব প্রতিবেদনহায়দরাবাদে ধর্ষণকাণ্ডে পুলিসের এনকাউন্টার নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারম্যান রেখা শর্মা। তিনি জানান, সাধারণ নাগরিক হিসাবে অত্যন্ত খুশি। আশা করা যায়, আইন মেনেই এনকাউন্টার করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানিয়েছিলাম। এখানে পুলিস দারুণ কাজ করেছে। তবে, রেখা শর্মা জানান, কী পরিস্থিতিতে এনকাউন্টার করা হয়েছে, তা জানা নেই।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

পুলিসের গুলিতে খতম চার অভিযুক্তই। কাকভোরে ঘটনা পুনর্নির্মাণের সময়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। এরপরই তাদের ধাওয়া করে এনএইচ ৪৪ -এর ওপর গুলি চালায় পুলিস। যেখানে তরুণীর দেহ মিলেছিল তার খুব কাছেই হয় এনকাউন্টার (Encounter)।



আরও পড়ুন- এনকাউন্টারে স্বস্তি সাধারণের, সাইবারাবাদ পুলিসের নামে জয়ধ্বনি পথে-ঘাটে


৮ নভেম্বর, হায়দরাবাদ থেকে ৫০ কিমি দূরে নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। কোল্লুরু গ্রামের বাড়িতে ফেরার সময় রাত ৯টা নাগাদ সামশাবাদের তন্দুপল্লি টোল প্লাজার কাছে স্কুটির টায়ার ফেটে যায় ওই পশু চিকিত্সকের।  ২৯ নভেম্বর  ওই টোল প্লাজা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে শাদনগরে চাতানপল্লি সেতুর কাছে তরুণী চিকিত্সকের পোড়া দেহ উদ্ধার হয়। পুলিসের অনুমান ছিল, গণধর্ষণের (accused in the rape and murder) পর তাঁকে পুড়িয়ে দেওয়া হয় ।