নিজস্ব প্রতিবেদন: আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় আরও বিপাকে পি চিদাম্বরম! মঙ্গলবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ তাঁর দিল্লির জোড় বাগের বাড়িতে নোটিস ঝুলিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এমনকী দু'ঘণ্টার মধ্যেই হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেয় সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ ঘণ্টার মধ্যে হাজিরা দেওয়ার যে নির্দেশ সিবিআই আধিকারিকরা দিয়েছিলেন তাও মানেননি চিদাম্বরম। ডেডলাইন পেরিয়ে গেলেও দেখা মেলেনি প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর।  


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING



এদিকে দিল্লি হাইকোর্টে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন খারিজ করে দেওয়ার পরেই প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর বাড়িতে হানা দেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। বাড়িতে তাঁর দেখা না মেলায় ফিরে যান আধিকারিকরা। হাইকোর্ট অন্তর্বর্তীকালীন জামিন খারিজ করে দেওয়ার পরই গ্রেফতারি রুখতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন পি চিদাম্বরম। আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল দেখা করেন চিদাম্বরমের সঙ্গে। এরপর তিনি আইনজীবী সিব্বল, সলমন খুরশিদ ও অভিষেক মনু সিংভি সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয়ে 'স্পেশাল লিভ পিটিশন' করেন।



উল্লেখ্য, মঙ্গলবার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদাম্বরমের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। যার ফলে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীকে গ্রেফতার করে তদন্তকারীদের হেফাজতে নেওয়ার সম্ভাবনা আরও প্রবল হয়। এমনকী গ্রেফতার করা হতে পারে চিদম্বরমকে। প্রথমে সিবিআই, তার পরে ইডি অফিসাররা চিদাম্বরমের বাড়িতে হাজির হয়ে একটা বিষয় স্পষ্ট হচ্ছে, যে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  হেফাজতে নিতে চায় তাঁরা। এখনও সিবিআই কিংবা ইডি কেউই চিদাম্বরমের নাগাল পায়নি। তিনি বাড়িতে নেই। চিদাম্বরম কোথায়? সম্ভাব্য প্রায় সব জায়গাতেই চিদাম্বরমের খোঁজ চালায় সিবিআই-ইডির আধিকারিকরা। দুই সংস্থার আধিকারিকদের মতে, বেপাত্তা চিদাম্বরম। এমনকী তাঁর মোবাইলও বন্ধ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।


আরও পড়ুন - এক পরিবার, এক সন্তান, আইন করে চালু করা উচিত বলে মনে করেন আটাওয়ালে


আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় ২০১৭ সালে চিদম্বরমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে সিবিআই। ২০১৮ সালে টাকা নয়-ছয়ের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে ইডি-ও। আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় পি চিদাম্বরমকে গ্রেফতারের জন্য আদলতে একাধিক বার আর্জি জানান তদন্তকারীরা। তাঁদের আবেদন খারিজ করে আদালত চিদাম্বরমের রক্ষকবচের মেয়াদ বেশ কয়েক বার বাড়ায়। প্রায় দেড় বছর ধরে অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে রয়েছেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী।