নিজস্ব প্রতিবেদন: ২৪ ঘণ্টারও বেশি খোঁজ মিলছিল না চিদম্বরমের। বুধবার কংগ্রেসের সদর দফতরে হাজির হয়ে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করলেন পি চিদম্বরম। সঙ্গে সঙ্গে চিদম্বরমকে ধরতে রওনা দিল সিবিআই-ইডি। তার আগেই সদর দফতর ছাড়েন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। জোড়বাগে নিজের বাড়িতে চলে যান তিনি। সেখানেও তাঁকে পিছু ধাওয়া করেন সিবিআই কর্তারা। দরজা বন্ধ থাকায় বাড়ির পাঁচিল টপকে বাড়িতে ঢুকে পড়েন তাঁরা।       


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

 গতকাল থেকে খোঁজ মিলছিল না প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর। যদিও তাঁর আইনজীবী কংগ্রেস নেতা কপিল সিব্বল দাবি করেন, ফেরার হওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। সন্ধেয় নিজের অফিসেই ছিলেন চিদম্বরম। এদিন দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে উদয় হলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। বলেন,'আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় আমি অভিযুক্ত নই, আমার পরিবারের কেউ জড়িত নয়। আদালতে আমার নামে কোনও চার্জশিট পেশ করেনি সিবিআই বা ইডি।'  কিন্তু সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের জবাব দেননি প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। তাঁকে পাকড়াও করতে কংগ্রেসের সদর দফতরের উদ্দেশে রওনা দেয় সিবিআই-ইডি।  



দু-তিন মিনিট থেকে দফতর ছাড়েন পি চিদম্বরম। রওনা দেন জোড়বাগে নিজের বাড়ির উদ্দেশে। তাঁর বাড়ির বাইরে জড়ো হতে থাকেন কংগ্রেস কর্মীরা। বন্ধ করে দেওয়া হয় দরজা। সেখানেও পৌঁছে যায় সিবিআই। নাছোড় সিবিআই আধিকারিকরা পাঁচিল টপকেই ঢুকে পড়েন চিদম্বরমের বাড়িতে।         



            


সিবিআইয়ের পর চিদম্বরমের বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডির দলও।



গতকাল থেকে বেপাত্তা ছিলেন চিদম্বরম। লুকআউট নোটিস জারি করে ইডি। এদিন রক্ষাকবচ পেতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চিদম্বরমের আইনজীবী কপিল সিব্বল। কিন্তু তাঁর আবেদনে ত্রুটি রয়েছে বলে জানিয়ে দেন বিচারপতি এনভি রামন। ত্রুটি শুধরে আবেদন নথিভূক্ত করার চেষ্টা চালান সিব্বল। এরপর রেজিস্ট্রির আধিকারিককে তলব করেন বিচারপতি রমন। রেজিস্ট্রির তরফে জানানো হয়, লাঞ্চের আগেই ত্রুটি শুধরে নেওয়া হয়েছে। বিচারপতি রমন জানান, পিটিশন তালিকাভুক্ত করার ক্ষমতা তাঁর নেই। একমাত্র প্রধান বিচারপতিরই ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু অযোধ্যা মামলা নিয়ে শুনানিতে ব্যস্ত ছিল প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের সাংবিধানিক বেঞ্চ। শুনানির শেষে বিকেল ৪ টে নাগাদ প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানানোর জন্য ছুটে যান কপিল সিব্বলরা। এদিকে সিবিআই ও ইডি যৌথভাবে ক্যাভিয়েট দাখিল করে রেখেছিল সুপ্রিম কোর্টে। যাতে তদন্তকারীদের কথা শুনে কোনও রায় না দিতে পারে শীর্ষ আদালত। মামলাটির শুনানি শুক্রবারে। 


আরও পড়ুন- প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া, প্লাস্টিক ব্যবহারে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল