ওয়েব ডেস্ক: বসন্তে বাংলা দেখেছে বর্ষার 'অকালবোধন'! আর এই বসন্তেই ইউপি দেখল 'গেরুয়া ঝড়'। সব ওলট পালট করে দেওয়া রেজাল্ট। 'ঘরওয়াপসি' হল ভারতীয় জনতা পার্টির! উত্তরপ্রদেশের দখল নিল মোদী এবং অমিত শাহ্‌ জুটি। ৩০০ প্লাস সিট, কোনও দিনই বিজেপির এই ফল দেখেনি 'মিনি ভারত' (উত্তরপ্রদেশ)। একমাত্র ১৯৮০ সালে কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় এসেছিল, তখন ৪০৩টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৩০৯টি আসনে জিতেছিল ন্যাশনাল কংগ্রেস। দুই দশক পর আবার সেই একই রকম রেজাল্টের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ। কেবল মার্কশিটে নাম বদল হল রাজনৈতিক দলের। দুই দশক পর ক্ষমতায় আসতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। 


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আর এই বিপুল জয়ে নাকি কারসাজি আছে ইভিএমের, এমনটাই অভিযোগ করেছেন বহুজন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো মায়াবতী। তাঁর অভিযোগ, "উত্তরপ্রদেশের বেশির ভাগ মুসলিম প্রধান বিধানসভা কেন্দ্রেই জয় পেয়েছে বিজেপি। আর এটাই প্রমাণ, কীভাবে ভোটকে প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে"। এখানেই থেমে থাকেননি উত্তরপ্রদেশের 'দলিত রাজনীতির' 'পোস্টার গার্ল' তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী, নির্বাচন কমিশনে লিখিত আকারে নিজের অভিযোগও জমা দিয়েছেন তিনি। এর সঙ্গেই তাঁর দাবি, "মানুষের ইভিএমের ভোটে কোনও আস্থা নেই। যদি প্রধানমন্ত্রী এবং অমিত শাহ্‌ দুধে ধোয়া হয়ে থাকেন তাহলে ব্যালট পেপারেই ভোট লড়ে দেখান"। 


মায়াবতীর এই অভিযোগ নিয়ে কোনও রকম মন্তব্যই করতে চাননি বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ্। কংগ্রেসের থেকে উত্তরাখণ্ড ছিনিয়ে নিল বিজেপি, ২টি আসনেই হার হরিশ রাওয়াতের