নিজস্ব প্রতিবেদন: এবার Paperless কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। ট্যাব থেকেই বাজেট পড়বেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথম কোনও বাজেট কাগজ ছাপা হবে না। কারণ, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারী। প্রতি বছর কেন্দ্রীয় বাজেট অর্থ মন্ত্রকের নিজস্ব প্রেসে ছাপা হয়। প্রায় ১০০ কর্মী দু'সপ্তাহ দিন-রাত জেগে এই ছাপার কাজ করে থাকেন। 


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

সব থেকে বড় কথা এই পনের১৫  দিন তাঁরা একসঙ্গেই থাকেন। বাজেটের নিরাপত্তার কারণে তাঁরা বাড়ি পর্যন্ত যেতে পারেন না। বাজেট ছাপা হওয়ার পর যতক্ষণ নাপ্রতা সিল করে সংসদ ভবনে বাজেট পেশের দিন পাঠানো হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের ছুটি নেই। স্বাধীনতার পর থেকে গত বছর পর্যন্ত চলে আসা এই ব্যবস্থার এবার বদল ঘটছে। উল্লেখ্য, অনলাইনেই মিলবে বাজেটের সমস্ত ডকুমেন্ট। 


আরও পড়ুন: সরকারী চাকরিজীবী স্বামীকে খুন করলেও পেনশন পাবেন স্ত্রী, রায় আদালতের


মহামারী সঙ্কটে ধসে গেছে অর্থনীতি। বিগত দুই ত্রৈমাসিকের আর্থিক বৃদ্ধিতে রেকর্ড সঙ্কোচনের জেরে প্রথমবার মন্দা দেখল দেশ। রুজিরুটি হারিয়েছেন কোটি কোটি মানুষ। বন্ধ হয়ে গেছে বহু ছোট–বড় ব্যবস্থা। রাজকোষ ঘাটতি আকাশ ছুঁয়েছে।  এই পরিস্থিতিতে নজর কেন্দ্রীয় বাজেটে। অর্থনীতির রথের চাকায় গতি ফেরাতে বহু সমস্যার জট ছাড়াতে হবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে। 


করোনাকালের আগে থেকেই অভ্যন্তরীণ বাজারে যে ঝিমুনি লক্ষ্য করা গিয়েছিল, তা মূলত চাহিদায় ঘাটতির কারণে। তাই চলতি বছরের বাজেটে বাজারে চাহিদা বৃদ্ধিই প্রধান চ্যালেঞ্জ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সামনে। মহামারী পরিস্থিতিতে বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন।  অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মানুষের হাতে নগদের অভাব থাকলে বাজারে চাহিদা বাড়ানো সম্ভব নয়। ফলত সাধারণের মানুষের আয়ের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত জরুরি। 


এ ছাড়াও বিনিয়োগকারীরা যাতে লগ্নিতে উত্সাহ পান, সেদিকেও নজর রয়েছে। আত্মনির্ভর প্যাকেজে সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণের ব্যবস্থা করা হলেও সঙ্কট কাটেনি।  এই পরিস্থিতিতে খরচ বাড়িয়ে সরকার আরও ত্রাণের ব্যবস্থা করলে ঘুরে দাঁড়াতে পারে অর্থনীতি। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের।