নিজস্ব প্রতিবেদন: দলীয় প্রতীক নয়, বাংলার আবেগকে সামনে রেখে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ে নামতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনীতির উপরে গিয়ে সব ধর্মের এবং সব দলের সমর্থন নিয়ে এগোতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই রবিবার থেকে দলীয় প্রতীক ছাড়াই “সোজা বাংলায় বলছি’’  কর্মসূচি শুরু করে দিল রাজ্যের শাসকদল।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

রবিবার এর প্রথম পর্বে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলার কর্মসংস্থানের  তুলনামূলক চিত্রটি তুলে ধরলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন।  “সোজা বাংলায় বলছি “ ভিডিয়ো সিরিজের  প্রথম পর্বে তৃণমূলের রাজ্যসভার  সাংসদ বলেন, “অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলার বেকারত্বের হার কম। আমি বলছি না,  CMIE-এর তথ্য বলছে।’’  লক্ষ্য একটাই। জিততে হবে একুশে। আর তাতে প্রয়োজন মোক্ষম অস্ত্র! বাংলাকে জিততে বাঙালির আবেগকেই স্পর্শ করতে চাইছে তৃণমূল। হিন্দুত্বকে হাতিয়ার করে যখন ঘুঁটি সাজাচ্ছে বিজেপি, তখন অন্যদিকে ‘বাংলা’ ভাষাকেই  জেতবার রণনীতি হিসাবে নির্ধারণ করল ঘাসফুল শিবির।


আরও পড়ুন: নাবালিকা পাচারকারিকে ধরতে গিয়ে ধুুন্ধুমারকাণ্ড, আহত ২ পুলিস কর্মী


২১শে জুলাই নেত্রীর আহ্বান জানিয়েছিলেন , বিজেপি - সি পি এমে  যাঁরা আছেন তাঁরা তৃণমূলে ফিরতে পারেন। সার্বিকভাবে কোথাও তৃণমূল অরাজনৈতিক মানুষ এবং অন্যদলের লোকের সমর্থনও পেতে চাইছে এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল । “বহিরাগতরা বাংলা শাসন করবে না। বাংলা চালাবে বাঙালিরাই’’, একুশের মঞ্চ থেকেই পরবর্তী কর্মসূচির একটা ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তা ফ্রন্ট লাইনে। রবিবার শুরু হল তৃণমূলের নতুন  প্রচারাভিযান “সোজা বাংলায় বলছি’’।


যুব শক্তি অনুষ্ঠানেও অভিষেক বন্দোপাধ্যায়  বলেছিলেন, “ যারা অন্য দলের তারাও হতে পারে যুবযোদ্ধা’’। অর্থাত্ এখানেও রাজনীতির ওপরে উঠে বাংলা সামনে রেখে তাদের যুদ্ধ এই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাইছেন তাঁরা। একদিকে অন্যদলের লোককে নিজে দলের টানার পাশাপাশি অরাজনৈতিক ভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌছনোর চেষ্টাই এখন তৃণমূলের লক্ষ্য।


সপ্তাহে তিন দিন একটি নতুন ভিডিয়ো সিরিজ বার করা হচ্ছে। যার নাম ‘সোজা বাংলায় বলছি’। প্রতি বুধবার এবং শুক্রবার ও রবিবার সকাল ১১টায় একটি এক মিনিটের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকবে। আগামী কয়েক মাস চলবে এই সিরিজ।