নিজস্ব প্রতিবেদন: সাংবিধানিক পদের মর্যাদা লঙ্ঘন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঠিক এই ভাষাতেই নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনে মমতা বলেন, ''খোঁজখবর না করে বিজেপি কর্মীদের কথায় প্রতিক্রিয়া দেওয়া উচিত হয়নি প্রধানমন্ত্রীর।'' 


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

মঙ্গলবার কর্ণাটকে ফলপ্রকাশের দিন বিজেপির সদর দফতরে দাঁড়িয়ে বাংলার পঞ্চায়েতের প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূলের সমালোচনা করেন নরেন্দ্র মোদী। সেদিন নমো বলেছিলেন, ''পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত নির্বাচনে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। শুধু বিজেপি নয়, সবকটি বিরোধী দলই ।'' সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই মমতা বৃহস্পতিবার বলেন,''অনেক কুত্সা, অপমান করা হয়েছে। এমনকি প্রধানমন্ত্রীও! বিজেপি কী বলল, তা খতিয়ে না দেখে ওনার এমন কথা বলা উচিত হয়নি। সংবিধান অনুযায়ী ওনাকে এটা সাজে না। আমি সাংবিধানিক পদের সম্মান রাখতে চাই।''         


পঞ্চায়েত ভোটের দিনই তৃণমূল অভিযোগ করেছিল, বাংলাদেশ থেকে লোক ঢুকিয়েছে বিজেপি। বিহার, ঝাড়খণ্ড থেকেও এসেছে গেরুয়াবাহিনী। সেই সুরেই এদিন মমতা বলেন,''বনগাঁ, বাগদা, গাইঘাটায় সীমান্তবর্তী এলাকায় বাংলাদেশের লোক ঢুকিয়েছে বিজেপি। কেন রাজ্য প্রশাসনকে না জানিয়ে সেদিন বিএসএফ নেমেছিল? বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে অসম, বিহার থেকে টাকা এসেছে। ত্রিপুরা নির্বাচনে আমাদের চোখ খুলে গিয়েছে।'' 
       
এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককেও নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ''আজকে কোনও বিজেপি কর্মী চিঠি পাঠাচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট চাইছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রতিদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক কোনও দলের নয়, এটা মনে রাখা দরকার। বিজেপি কর্মীদের ভাল দেখাটাও আমার কাজ। বিজেপির তো একজনও খুন হয়নি। আমাদের ছেলেমেয়েরা জীবন দিয়ে রক্ষা করেছে।'' 


আরও পড়ুন- সূবর্ণরেখার পাড়ে বিজেপি-তৃণমূল সমানে-সমানে টক্কর