ওয়েব ডেস্ক: পূর্ববাভাস ছিলই। সোমবার ক্যারেবিয়ন দ্বীপপুঞ্জে আছড়ে পড়ল হারিকেন ম্যাথিউ। জামাইকা এবং হাইতিতে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি। পরবর্তী গন্তব্য কিউবা।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

দুহাজার সাতে ছিল ফেলিক্স। এবার মেথিউ। আতলান্তিক মহাসাগরে ঘণীভূত  সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত জামাইকা। টানা বৃষ্টিতে বানভাসি রাজধানী কিংস্টন। অধিকাংশ রাস্তায় জল। থমকে যান চলাচল। ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার। বিদ্যুত্‍ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় অন্ধকারে বিস্তীর্ণ এলাকা। মাটি ধ্বসে বন্ধ বহু রাস্তা।


আরও পড়ুন- মোদীকে হুমকি দিয়ে সন্ত্রাসের পায়রা ওড়ালো পাকিস্তান


জামাইকার পর আরও কিছুটা শক্তি সঞ্চয় করে, চার নম্বর ক্যাটেগরির ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় ম্যাথিউ। গতি বাড়িয়ে, ঘণ্টায় ২২০ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়ে হাইতিতে। তছনছ হয়ে যায় ছবির মত সাজানো পর্যটন শহর পুয়ের্তো প্রিনসেপ এবং বন্দর শহর পোর্ট অ প্রিন্স। উত্তাল সমুদ্র আতঙ্ক ছড়ায় উপকূলবর্তী বিভিন্ন রিসোর্টে। দুর্যোগের কারণে বন্ধ হয়ে যায় বিমান ওঠা নামা।


জামাইকা থেকে হাইতি যাওয়ার পথে, ম্যাথিউয়ের ছোঁয়া লাগে ডমিনিক রিপাবলিকে। ঝড়-বৃষ্টিতে ভিটেমাটি হারিয়েছেন সাড়ে আট হাজার মানুষ। বুধবার পর্যন্ত ক্যারেবিয়ন দ্বীপপুঞ্জের তিন রাষ্ট্রে সমস্ত স্কুল কলেজ বন্ধ।


আরও পড়ুন- টিনে করে মানুষের মাংস বিক্রি করছে চিন! (ভিডিও)


ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার গতিতে উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে হারিকেন ম্যাথিউ। ঘূর্ণিঝড়ের পরবর্তী গন্তব্য কিউবা এবং বাহামা। দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই এই দুই রাষ্ট্রে চলছে তত্‍পরতা। ইতিমধ্যেই কিউবার উপকূলবর্তী এলাকায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় খোলা হয়েছে জরুরি পরিষেবা কেন্দ্র। রবিবারই গুয়ান্তানামো বে পরিদর্শন করেন কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো।


প্রকৃতির সঙ্গে অসম লড়াইয়ে তৈরি বাহামাও। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বিমানবন্দর। সমুদ্র বন্দরেও জারি সতর্কতা। সাম্প্রতিককালে ক্যারেবিয়ন দ্বীপপুঞ্জে আছড়ে পড়া সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হল ম্যাথিউ।