জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দেশের আর্থিক পরিস্থিতি খাদের কিনারায়। তার মধ্যেই ফের এক বিপদ এসে হাজির পাকিস্তানের দোরগোড়ায়। দেশের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল যে জায়গায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে তাতে সরকার গঠন নিয়ে সমস্যায় পড়ে যেতে পারে পাকিস্তান। ইমরান খান এখন জেলে। তাঁর দলের নেতারা নির্দল হিসেবে লড়াই করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। দেশের ২৬৪ আসনের মধ্যে ইমরান খানের তেহরিক ই ইনসাফ পার্টির সমর্থিত নির্দলরা পেয়েছেন ১০১ আসন। অনেকটাই পেছনে পড়ে গিয়েছে পাকিস্তান মুসলিম লিগ(৯৩), পাকিস্তান পিপিলস পার্টি(৫৪)। এর পাশাপাশি ইমরান খানের দল ভোটে রিগিংয়ের অভিযোগ তুলেছে। এর ফলে বেশকিছু জায়গায় পুননির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে পাক নির্বাচন কমিশন। সেইসব আসনের ফল প্রকাশ হলে বিপাকে পড়ে যেতে পারেন নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টো।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন-কংগ্রেসকে সমর্থন নয়, রাজ্যসভার ৪ আসনে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের


বর্তমানে জেলে রয়েছেন ইমরান খান। কিন্তু তাঁর সমর্থনে ভোটে লড়াই করা নির্দলরা আর ৩২ আসন জোগাড় করতে পারলে ক্ষমতায় চলে আসতে পারবে। কিন্তু বহু সিট ভাগ হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন ছোট দলের মধ্যে। সেখানে এমকিউএম পেয়েছে ১৭ আসন, আজাদ পেয়েছে ৮ আসন, জেইউআই পেয়েছে ৪ আসন, পিএমএল পেয়েছে ৩ আসন, আইপিপি পেয়েছে ২ আসন, বিএনপি পেয়েছে ২ আসন। ফলে ওইসব দলগুলির সঙ্গে গাঁচছড়া বাঁধতে পারলে নওয়াজ-বিলাওয়ালদের সব অঙ্ক উল্টে দিতে পারে পিটিআই।


বিদেশ থেকে ফিরে ফের ভোটের ময়দানে নওয়াজ শরিফ। তাঁর পেছনে রয়েছে পাক সেনা। এমনটাই বলছে রাজনৈতিক মহল। নওয়াজের পাকিস্তান মুসলিম লিগ পেয়েছে ৯৩ আসন। ফলে একমাত্র নওয়াজই বেগ দিতে পারেন ইমরানকে। অন্যদিকে, পিপিপি পেয়েছে ৫৪ আসন। এখন সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনে ডাকা হলে এগিয়ে থাকবে ইমরান শিবিরই। নওয়াজ শরিফ ও ইমরান দুইজনই ইতিমধ্যে তাদের জয়ের কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন। এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছে নির্বাচনে রিগিং হয়েছে এই অভিযোগ আদালতে যেতে পারে পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফ। ইতিমধ্যেই তারা দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু করেছে।


(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp)