জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ৩৭৫টি বছর। কম নয়। একটা নতুন মহাদেশ খুঁজতে এতদিন সময় লেগে গেল। অথচ, সাদা চোখে একে এতদিন দেখা যায়নি। কিন্তু তা বলে যে, এই মহাদেশের ব্যাপারে সব রহস্য মিটে গিয়েছে তা-ও নয়। রহস্যই এর প্রধান আকর্ষণ।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন: Bangladesh: জার্মানিতে প্রথম বাংলা বইমেলা! আনন্দে উদ্বেল বাঙালি বইপ্রেমীরা...


নতুন এই মহাদেশের নাম জিল্যান্ডিয়া। প্রথম ২০১৭ সালেই একদল ভূতত্ত্ববিদের মারফত জানা গিয়েছিল, এই ভূখণ্ডটির আয়তন ১৮ লক্ষ ৯০ হাজার বর্গ মাইল! এটি মাদাগাস্কারের ছ'গুণ। 


তাহলে কেন পৃথিবীর কোনও অভিধান, কোনও কোষ, কোনও ম্যাপ, ইন্টারনেটের কোনও সার্চ ইঞ্জিন বরাবর ৭টি মহাদেশের কথাই বলে? কেন এগুলি ৮ নম্বর মহাদেশকে স্বীকৃতি দেয় না? 


এর একটাই কারণ। এই মহাদেশের একটা বড় অংশ এখনও জলের নীচে। জিল্যান্ডিয়ার ৯৪ শতাংশই জলের তলায়।


আরও পড়ুন: China: এবার বীর্য বেচেও বিপুল রোজগার! জেনে নিন কোথায়, কীভাবে...


জিল্যান্ডিয়ার খোঁজ প্রথম দেন ১২৫ বছর আগে স্কটিশ প্রকৃতিবিদ স্যর জেমস হেক্টর। যিনি ১৮৯৫ সালে নিউ জিল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূল থেকে অনেক দূরের এক সমুদ্রাভিযানে অংশ নিয়েছিলেন। তাঁরই চোখে পড়ে যে, এক অচেনা ভূখণ্ড আজও মানুষের জানার বাইরে। তিনি এ বিষয়ে প্রাথমিক গবেষণাপর্ব সমাধা করে লিখেছিলেন, জলের তলায় ডুবে থাকা সুদূর দক্ষিণ ও পূর্বে বিস্তৃত এই ভূখণ্ডটি কোনও পর্বত-শৃঙ্খলের ধ্বংসাবশেষ এবং এর থেকেই নিউ জিল্যান্ড মহাদেশের জন্ম।


(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)