ওয়েব ডেস্ক: ইদের নমাজ শুরুর আগে ঝরল রক্ত। ফের সন্ত্রাসবাদী হামলার শিকার হল বাংলাদেশ। কিশোরগঞ্জের ইদগাহে হামলা চালাল সন্দেহভাজন জঙ্গিরা। দুই পুলিসকর্মী-সহ নিহত চার। আহত এক সন্ত্রাসবাদীকে ধরে ফেলে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিস।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

গুলশনের জঙ্গি হামলার ক্ষত এখনও শুকোয়নি। ছ-দিনের মাথায় আবার হামলা। ইদের দিনেও রক্তাক্ত হল বাংলাদেশ। এবার সন্ত্রাসবাদীদের টার্গেট ঢাকা থেকে ১৪৪ কিলোমিটার দূরে কিশোরগঞ্জ। কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ইদগাহের কাছে পুলিসের ওপর হামলা চালায় তারা।




বৃহস্পতিবার সকাল ন-টা। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শোলাকিয়া ইদগাহে তখন দুলক্ষ মানুষ নমাজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গুলশন হামলায় নিহতদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছে ঢাকা। হঠাতই সন্ত্রাসবাদীদের হামলা। গুলশন হামলার পর ইদের দিন বাংলাদেশের সর্বত্রই কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। নমাজ শুরুর আগে শোলাকিয়া ইদগাহের কাছে একটি স্কুলের সামনে পথচারীদের তল্লাসি করছিল পুলিস।


সেইসময় ছয় থেকে সাত জন যুবক ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিসের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ছোঁড়া হয় বোমা। পুলিসও পাল্টা আক্রমণ করলে শুরু হয়ে যায় দু-পক্ষের গুলির লড়াই। নিহত হন পুলিসকর্মী ও পথচারীরা।


গুরুতর জখম পুলিসকর্মীদের ঢাকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত পথচারীদের নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। বুধবারই সামনে আসে আইএসের ভিডিও। তাতে বাংলাদেশে বড় নাশকতার হুমকি দেওয়া হয়। পরের দিনই ইদের সকালে কিশোরগঞ্জে হামলা চালালো সন্ত্রাসবাদীরা। শোলাকিয়া ইদগাহ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সুফী মতাবলম্বীরা। বেশ কিছুদিন ধরেই ইসলামের নামে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছেন এখানকার ইমাম। সেই কারণেই এই হামলা কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। ঢাকা অনুমতি দেওয়ায় জঙ্গিহানার গতি-প্রকৃতি বুঝতে দিল্লি থেকে বাংলাদেশ যাচ্ছে NSG-র বিশেষ টিম। কিশোরগঞ্জের ইদগাহ ও গুলশনের রেস্তোরাঁয় যাবেন তাঁরা।